"অপরাধ" ক্যাটাগরীর সকল আর্টিকেল
অপরাধ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
মেজর সিনহা হত্যাঃ কুখ্যাত ওসি প্রদীপ-ইন্সপেক্টর লিয়াকতের মৃত্যুদন্ডে রায়; মেজর সিনহা; ওসি প্রদীপ; কুমার দাস; ইন্সপেক্টর লিয়াকত; আলী; টেকনাফ; বাহারছড়া; কক্সবাজার; কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভ; সমুদ্র সৈকত; পুলিশ; সেনাবাহিনী; চেকপোস্ট; এসএসএফ; Major Sinha, OC Prodip, Inspector Liakot; SSF; Special Security Force; Army; Bangladesh Army; Bangladesh Police; Teknaf; Coxsbazar; Marine Drive; Bangladesh
মেজর সিনহা হত্যাঃ কুখ্যাত ওসি প্রদীপ-ইন্সপেক্টর লিয়াকতের মৃত্যুদন্ডে রায়

ভয়েস অব পটিয়া-ন্যাশনাল ডেস্কঃ মেজর (অব.) সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যাকান্ডে সম্পৃক্ততার প্রমাণ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় হত্যাকারী কুখ্যাত ওসি (বরখাস্ত) প্রদীপ কুমার দাস ও ইন্সপেক্টর (বরখাস্ত) লিয়াকত আলীর মৃত্যুদন্ডের রায় দিয়েছেন আদালত। 

এ মামলার বাকি ১৩ আসামির মধ্যে ছয়জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং সাতজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। 

আজ সোমবার (৩১ জানুয়ারি) বিকালে এ রায় ঘোষণা করেন কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ইসমাঈল। ৩০০ পৃষ্ঠার রায় ঘোষণাকালে এজলাসে উপস্থিত ছিলো ওসি (বরখাস্ত) প্রদীপ কুমার দাস ও ইন্সপেক্টর (বরখাস্ত) লিয়াকত আলী সহ ১৫ আসামী। 
রায়ে বিচারক বলেন, ‘মেজর সিনহা হত্যার ঘটনাটি ছিল পরিকল্পিত। তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে টেকনাফ থানার তৎকালীন ওসি প্রদীপ কুমার দাসের সঙ্গে ষড়যন্ত্র করে গুলি করে আসামী লিয়াকত আলী। মৃত্যু নিশ্চিত করতে সিনহাকে দেরিতে হাসপাতালে নেওয়া হয়।’  

রায়ে যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তরা হলো- প্রদীপের দেহরক্ষী রুবেল শর্মা, টেকনাফের বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের বরখাস্ত উপ-পরিদর্শক (এসআই) নন্দদুলাল রক্ষিত ও বরখাস্ত কনস্টেবল সাগর দেব এবং টেকনাফ থানায় পুলিশের দায়ের করা মামলার সাক্ষী টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুরের মারিশবুনিয়া গ্রামের নুরুল আমিন, মোঃ নিজামুদ্দিন ও আয়াজ উদ্দিন। তাদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানাও করা হয়েছে। 

খালাসপ্রাপ্তরা হলো- বরখাস্ত সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) লিটন মিয়া, বরখাস্ত কনস্টেবল সাফানুর করিম, কামাল হোসেন, আব্দুল্লাহ আল মামুন, এপিবিএনের বরখাস্ত উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোঃ শাহজাহান, বরখাস্ত কনস্টেবল মোঃ রাজীব ও মোঃ আবদুল্লাহ। 

২০২০ সালের ৩১ জুলাই রাতে টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশের ইন্সপেক্টর লিয়াকত আলী ওসি প্রদীপ কুমার দাসের নির্দেশে মেজর (অব.) সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খানকে গুলি করে, পরে ওসি প্রদীপ মেজর সিনহার গলায় পা দিয়ে হত্যাকান্ড ‍নিশ্চিত করে। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে টেকনাফে দুটি ও রামুতে একটি মামলা করে। ঘটনার পাঁচ দিন পর ০৫ আগস্ট কক্সবাজার আদালতে টেকনাফ থানার বরখাস্ত ওসি প্রদীপ কুমার দাস, বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের ইন্সপেক্টর লিয়াকত আলীসহ পুলিশের নয় সদস্যের নামে হত্যা মামলা দায়ের করেন মেজর সিনহার বড় বোন শারমিন শাহরিয়ার ফেরদৌস। চারটি মামলার তদন্তের দায়িত্ব পায় র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। 

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও পিপি ফরিদুল আলম জানান, এ মামলায় আট দফায় ৮৩ সাক্ষীর মধ্যে ৬৫ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ ও জেরা করা হয়। এরপর ৯ থেকে ১২ জানুয়ারি মামলায় উভয়পক্ষের আইনজীবীরা যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের শেষ দিনে আদালত রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন। নির্মম ও আলোচিত এ হত্যাকাণ্ডের ১৮ মাসের মাথায় রায় ঘোষণা হলো। বিচারিক কার্যক্রম শুরু করে মাত্র ৩৩ কার্যদিবসে শেষ হয়েছে মামলাটির পরবর্তী কাজ।
তিনি আরো বলেন, ‘ওসি প্রদীপ একজন নরপিশাচ। সে মাদক নির্মূলের নামে ক্রসফায়ার দিয়ে ২০৪ জন নিরীহ মানুষকে হত্যা করেছে। অপকর্ম জেনে ফেলায় মেজর সিনহাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে ওসি প্রদীপ, যা রাষ্ট্রপক্ষ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে। আশা করি প্রদীপ-লিয়াকতসহ জড়িত সব আসামীর সর্বোচ্চ শাস্তি প্রদান করবেন আদালত।’  

অন্যদিকে আসামীপক্ষের আইনজীবী হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্যপরিষদ নেতা এডভোকেট রানা দাসগুপ্ত ওসি প্রদীপ কুমার দাসকে এই ঘটনায় নির্দোষ দাবি করেছেন। 

রায়ের আগে বরখাস্ত ওসি প্রদীপ কুমার দাসের ফাঁসির দাবিতে টেকনাফ থানার আদালত চত্বরে মানববন্ধন করেন ওসি প্রদীপের গুম-খুনের শিকার ভুক্তোভোগী স্থানীয় বাসিন্দারা। মানববন্ধনে তারা জানান, প্রদীপ কুমার দাস টেকনাফ থানার ওসি থাকাকালে ক্রসফায়ারের নামে ১৪৫ জন নিরীহ মানুষকে হত্যা করেছে। এছাড়া নিরীহ লোকজনকে হয়রানি, ধর্ষণ ও অপহরণসহ নানাভাবে নির্যাতনের শিকারে হলেও কোন প্রতিকার পায়নি ভুক্তভোগীরা। তাই তারা মেজর সিনহা হত্যা মামলার রায়ের অপেক্ষায় ছিলেন। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, ওসি প্রদীপের হাতে নিষ্ঠুর নির্যাতনের শিকার সাংবাদিক ফরিদুল মোস্তাফা খান, ভুক্তভোগী হামজালাল ও ক্রসফায়ারে ছেলে হারানো হালিমা খাতুনসহ আরও অনেকে।

ক্রসফায়ারের নামে ওসি প্রদীপের নৃশংসতা

সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যা মামলার অন্যতম আসামী বরখাস্ত ওসি প্রদীপ কুমার দাস। টেকনাফ মডেল থানায় যোগদানের পর থেকে মাদক নির্মূলের আড়ালে সরকারী ক্ষমতার অপব্যবহার করা শুরু করে। অবৈধভাবে পেশিশক্তি প্রদর্শন করতে থাকে। কিছু দিন যেতে না যেতেই তাকে টাকার নেশায় পেয়ে বসে। ইয়াবা ব্যবসায়ী ছাড়াও আর্থিকভাবে সচ্ছল নিরীহ পরিবারগুলোকে টার্গেট করে ওসি প্রদীপ। এর পর তাদের একের পর এক মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে, কথিত ক্রসফায়ারের নামে বিচার বহিভূর্ত হত্যাকান্ড ঘটিয়ে, ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে রাতারাতি বিপুল অর্থবিত্তেরও মালিক বনে যায় কুখ্যাত ওসি প্রদীপ। ২০২০ সালের ১৩ ডিসেম্বর কক্সবাজারের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তামান্না ফারাহর আদালতে দাখিল করা সিনহা হত্যা মামলার অভিযোগপত্রে এসব লোমহর্ষক তথ্য উঠে এসেছে। 

কক্সবাজারের মহেশখালী থানা থেকে ২০ অক্টোবর ২০১৮ সালে ওসি হিসেবে টেকনাফ মডেল থানায় যোগ দেয় প্রদীপ। ওসি প্রদীপ টেকনাফ থানায় যোগদানের পর তার নেতৃত্বে ও নির্দেশে শতাধিক বন্দুকযুদ্ধের নামে বহুলোককে হত্যা করা হয়। প্রদীপের অপরাধ প্রক্রিয়া ছিল কোনো ঘটনায় মাদক উদ্ধার হলে অথবা টার্গেট কোনো ব্যক্তিকে মাদক দিয়ে ফাঁসানো হলে (ফিটিং মামলা) প্রথমত আসামী বা ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে। এর পর স্থানীয় কিছু শ্রেণির লোকজনসহ তার নিজস্ব সোর্সের মাধ্যমে অর্থ আদায়ের জন্য দেনদরবার করা হয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রে ভিকটিমের পরিবারের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা ক্রসফায়ার না দেওয়ার শর্তে আদায় করা হতো। প্রাপ্ত টাকার পরিমাণ আশানুরূপ বা চাহিদা অনুযায়ী হলে ভিকটিমকে ক্রসফায়ারে না দিয়ে মাদক উদ্ধার দেখিয়ে ওই ব্যক্তির বা আসামীর আত্মীয়স্বজনদের মামলার আসামী করা হতো। এ ক্ষেত্রে নারী, বৃদ্ধ, কিশোর-কিশোরী কেউ তার আক্রোশ থেকে রেহাই পেত না। এমনকি নারীদের ওপর যৌন নিপীড়নও করা হতো বলে তদন্তে জানা যায় এবং এ ব্যাপারে বিজ্ঞ আদালতে মামলা হয়েছে বলে জানা গেছে। 
এরপর শুরু হতো তার অন্যরকম অবৈধ অর্থ আদায়ের প্রক্রিয়া। তার দায়ের করা মামলার কথিত এজাহারে বর্ণিত আসামীদের ক্রসফায়ারের ভয়ভীতি প্রদর্শন, বাড়িঘর থেকে উচ্ছেদ এবং বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগসহ আসামীর সৃজিত সম্পত্তি বেদখল করে এবং ভয় দেখিয়ে মামলা প্রতি লাখ লাখ টাকা অবৈধভাবে আদায় করাই ছিল তার নেশা ও পেশা। এ কাজ করার জন্য ওসি প্রদীপ তার সমমনা পুলিশ সদস্যদের নিয়ে নিজস্ব পেটুয়া ও সন্ত্রাসী বাহিনী গড়ে তুলে। 

অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়, প্রদীপের এ ধরনের অপরাধকর্মের বিরুদ্ধে কেউ মুখ খোলার সাহস পেতেন না। যারা ন্যূনতম প্রতিবাদ করার সাহস দেখিয়েছেন, তারা এবং তাদের পরিবার ও নিকটাত্মীয়স্বজন তার অত্যাচার, নিপীড়নসহ মামলা-হামলার শিকার হতো। ওসি প্রদীপ টেকনাফ মডেল থানায় যোগদান করেই স্থানীয় কিছু দালাল শ্রেণির লোকজনের সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তুলে। মাদক নির্মূলের অজুহাতে ও নিজেকে সরকারের একনিষ্ঠ পৃষ্ঠপোষক দেখানোর আড়ালে জনগণের তোয়াক্কা না করে, পুরো থানা এলাকায় এককভাবে আধিপত্য বিস্তার করে, সমাজ ও জনপদে ত্রাস সৃষ্টি করে অপরাধের অভয়ারণ্য ও অপরাধকর্মের রামরাজত্ব কায়েম করে।
 
তার এ ধরনের অপরাধকর্মের প্রচার ও প্রসার রোধে আসামী প্রদীপ কুমার দাস ও তার দলবল স্থানীয় প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার লোকজনকে ভয়ভীতি দেখানোর মাধ্যমে মুখ বন্ধ করে রাখতো বলে জানা যায়। এতেও কাজ না হলে ভয়ভীতি-হুমকি প্রদর্শনসহ মামলায় জড়িয়ে কণ্ঠরোধ করা হতো। তার কুকর্মের বিষয়ে কেউ যাতে সংবাদ সংগ্রহ করতে এবং প্রচার করতে না পারে, সে বিষয়ে প্রদীপ কুমার দাস ছিলো সোচ্চার ও সতর্ক এবং এ ধরনের লোকজনের তথ্য সংগ্রহের জন্য সে তার থানায় এলাকাভিত্তিক সোর্স নিয়োগ করে রাখতো।
চট্টগ্রাম নগরীর সিআরবি’তে হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার অবৈধ প্রস্তাবনার বিরুদ্ধে নাগরিকদের প্রতিবাদ; চট্টগ্রাম; নগরী; সিআরবি; রেলওয়ে; শিরীষতলা; ঐতিহাসিক; ব্রিটিশ; মুক্তিযুদ্ধ; পরিবেশ; বন; পূর্বাঞ্চল; Chittagong; Chattogram; CRB; Railway; City; Environment
চট্টগ্রাম নগরীর সিআরবি’তে হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার অবৈধ প্রস্তাবনার বিরুদ্ধে নাগরিকদের প্রতিবাদ

ভয়েস অব পটিয়া-নিউজ ডেস্কঃ চট্টগ্রাম নগরীর সিআরবি’তে হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠার অবৈধ প্রস্তাবনার বিরুদ্ধে সর্বস্তরের নাগরিকদের প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ সমাবেশ অব্যাহত রয়েছে।

বাংলাদেশ রেলওয়ের পূর্বাঞ্চল সদর দপ্তর (সিআরবি) এলাকায় সরকারী-বেসরকারী অংশীদারিত্ব (পিপিপি) প্রকল্পের আওতায় ৫০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল, ১০০ আসনের মেডিকেল কলেজ ও ৫০ আসনের নার্সিং ইনস্টিটিউট স্থাপনের প্রকল্প রেল বিভাগ গ্রহণ করার পর থেকে তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ চলছে চট্টগ্রামে। 
বেসকারী ইউনাইটেড এন্টারপ্রাইজ এবং সরকারের মধ্যে এ নিয়ে চুক্তি হয় গত বছরের মার্চে। ওই প্রকল্পের জন্য ৬ একর জমির কথা বলা হয়েছে পরিকল্পনায়। এ প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৪০০ কোটি টাকা। প্রকল্প বাস্তবায়নকাল ১২ বছর।

বলা বাহুল্য সংবিধানের ২৪ ধারা মতে, ’বিশেষ শৈল্পিক কিংবা ঐতিহাসিক গুরুত্ব সম্পন্ন বা তাৎপর্যমন্ডিত স্মৃতিনিদর্শন, বস্তু বা স্থানসমূহকে বিকৃতি, বিনাশ, অপসারণ, স্মৃতি রক্ষার্থে রাষ্ট্র ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন।’ সিআরবি ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের স্মৃতিবিজড়িত, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে এখানে অনেক মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হয়েছেন। ৯ জন শহীদের কবর রয়েছে এখানে। সেই হিসেবে সংবিধানের ২৪ ধারা এ ঐতিহাসিক ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমন্ডিত স্থানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। অধিগ্রহণকৃত জায়গায় রেলওয়ের যে কলোনী রয়েছে তার নাম ‘শহীদ আব্দুর রব কলোনী’। কৌশলে অধিগ্রহণকৃত কলোনীর নাম এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে, যেটা মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি মুছে দেবার এক ধরনের ষড়যন্ত্রও বলা যায়।

সিআরবি এলাকাকে ‘হেরিটেজ জোন’ হিসেবে বন্দর নগরীর মহাপরিকল্পনায় ‘সংরক্ষিত এলাকা’ হিসেবে চিহ্নিত করায় সেখানে কোনো প্রকার বাণিজ্যিক স্থাপনার অনুমোদন দেওয়া হবে না বলে ইতোমধ্যে জানিয়েছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)। 

এদিকে সিআরবিতে হাসপাতাল প্রকল্প বাতিল না করা পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা এসেছে বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিবাদী কর্মসূচি থেকে।
ইসলাম প্রচার করায় বান্দরবান পাহাড়ে জেএসএস সন্ত্রাসীদের হাতে খুন নও মুসলিম ইমাম ওমর ফারুক; বান্দরবান; রোয়াংছড়ি; তুলাছড়ি; পাহাড়; পার্বত্য চট্টগ্রাম; সন্ত্রাসী; পাহাড়ী সন্ত্রাসী; জেএসএস সন্ত্রাসী; জেএসএস; শান্তিবাহিনী; জনসংহতি সমিতি; সন্ত্রাসী সংগঠন, জঙ্গি; ঢাকা; সারাদেশ; ইসলামিক; চট্টগ্রাম; ইসলাম; দাঈ; ইসলামী দাঈ; ইসলাম প্রচারক; Bandarban, Hill tracts; Chittagong; Chattogram; Dhaka; Islamic Preacher; Islam; Bangladesh
ইসলাম প্রচার করায় বান্দরবান পাহাড়ে জেএসএস সন্ত্রাসীদের হাতে খুন নও মুসলিম ইমাম ওমর ফারুক

ভয়েস অব পটিয়া-পার্বত্য চট্টগ্রাম ডেস্কঃ ইসলাম প্রচার করায় বান্দরবানের রোয়াংছড়িতে নওমুসলিম এক ইমামকে গুলি করে নির্মমভাবে হত্যা করেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির সন্ত্রাসীরা। 

শুক্রবার এশার নামায শেষ করে মসজিদ থেকে বের হলে তাকে গুলি করে হত্যা করে জেএসএস সন্ত্রাসীরা।

হত্যার শিকার নওমুসলিম ইমাম ওমর ফারুক ত্রিপুরা (৫৪) ইতিপূর্বে খ্রিষ্টান ধর্ম ত্যাগ করে মুসলমান হয়েছিলেন। মুসলিম হওয়ার পর তিনি পাহাড়ে অমুসলিমদের মাঝে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছে দিতেন। তাঁর এ দাওয়াতী কাজের মাধ্যমে অনেক পরিবার স্ব-ইচ্ছায় ইসলাম গ্রহণ করেছেন। 

ওমর ফারুক ২০১৪ সালে খ্রিষ্টান ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম গ্রহণ করেন। বান্দরবানের রোয়াংছড়ির দুর্গম পার্বত্য এলাকা তুলাছড়িতে নওমুসলিম ওমর ফারুক নিজের জমিতে একটি মসজিদ প্রতিষ্ঠা করে ইসলাম চর্চা করতে শুরু করেন। এ কারণে পাহাড়ের উপজাতি সন্ত্রাসীরা একের পর এক তাঁকে হত্যার হুমকি দিতে থাকে। কিন্তু ওমর ফারুক হত্যার হুমকি উপেক্ষা করে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ইসলামের দাওয়াতি কার্যক্রম অব্যহত রাখেন। তাঁর এই প্রচেষ্টায় শুধু নিজের পরিবার নয়, রোয়াংছড়ি এলাকায় তাঁর দাওয়াতে প্রায় ৩২টি উপজাতীয় পরিবার ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। এ কারণে উপজাতীয় সন্ত্রাসীরা তাঁকে থামাতে গত ১৮ জুন শুক্রবার দিবাগত রাতে মসজিদ থেকে এশার নামাজ পড়ে ফেরার পথে নির্মমভাবে গুলি করে হত্যা করে বলে জানায় এলাকাবাসীরা। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

এ ঘটনায় সোশ্যাল মিডিয়ায় বিরাজ করছে শোকের ছায়া । তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা জানাচ্ছেন নেটিজেনরা। হত্যাকারী উপজাতি সন্ত্রাসীদের অনতিবিলম্বে শাস্তি দাবি করেছেন তারা। পাশাপাশি সরকার ও পাহাড়ে আইন-শৃংখলা ও দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষায় নিয়োজিত সদস্যদের প্রতি অনতিবিলম্বে এসব শান্তিবিনষ্টকারী দেশের সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি উপজাতি সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করার জোর দাবি জানিয়েছেন নেটিজেনরা।

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকা লক্ষ করে ইহুদি সন্ত্রাসীদের বর্বর হামলা, বোমার আঘাতে শিশুসহ নিহত ১১৯; ছবিঃ আল-জাজিরা

ভয়েস অব পটিয়া-ইন্টারন্যাশনাল ডেস্কঃ ইহুদি সন্ত্রাসীদের অতর্কিত বিমান, স্থল, বোমা হামলায় এই পর্যন্ত ফিলিস্তিনের গাজায় ৩১ শিশুসহ ১১৯ জন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো। 
দখলদার অবৈধ রাষ্ট্র ইসরাইলের সন্ত্রাসী হামলা থেকে বাঁচতে দিকবিদিক ছুটাছুটি করছেন ফিলিস্তিনি পরিবারগুলো। 

শুক্রবার হতে ইসরাইল সেনাবাহিনী ফিলিস্তিনির অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার নিকটে সেনা ও ট্যাঙ্ক মোতায়েন করে নিরপরাধ ফিলিস্তিনিদের স্থাপনা লক্ষ করে ব্যাপক আকারে বিমান ও স্থল হামলা চালায়। 

সোমবার মসজিদুল আকসায় ইহুদিবাদী সন্ত্রাসীদের হামলার পর থেকে এ পর্যন্ত ৩১ শিশুসহ কমপক্ষে ১১৯ জন ফিলিস্তিনি নিহত ও ৮৩০ জনেরও বেশি আহত হয়েছেন। 

ইসরাইলের আর্টিলারি হামলা থেকে বাঁচতে উত্তর গাজায় কয়েক'শ ফিলিস্তিনি পরিবার ইউএন পরিচালিত বিদ্যালয়ে আশ্রয় নিয়েছে। ইসরাইলি সন্ত্রাসীদের এ হামলাকে ‘বর্বরতার হিংস্রতম রাত’ বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। 

এদিকে এ ঘটনার প্রতিবাদে শুক্রবার ভোরে ইসরাইলের অবৈধ দখলকৃত আশ্কেলন শহর লক্ষ্য করে রকেট হামলা চালিয়েছে ফিলিস্তিনের মুক্তিকামী সংগঠন ‘হামাস’। এ পর্যন্ত হামাস ১৫০০ এর অধিক রকেট হামলা চালিয়েছে ইহুদি সন্ত্রাসীদের লক্ষ্য করে। তবে এর বেশিরভাগ রকেট প্রতিহত করতে সক্ষম হয়েছে ইসরাইলী আইরন ডোম। এতে কমপক্ষে ৬ ইসরাইলী সন্ত্রাসী এবং একজন ভারতীয় নাগরিক মারা গেছে বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যমগুলো। 
ইসরাইলী সেনাবাহিনী জানিয়েছে, গাজা থেকে ইসরাইলের দখলকৃত বিভিন্ন অবস্থানের দিকে কয়েকশো রকেট নিক্ষেপ করা হয়েছে এবং তারা পূর্ব গাজা উপত্যকার নিকটে হামলার জন্য আরও শক্তিবৃদ্ধি করেছে। 

ইতোমধ্যে পশ্চিম তীরের পাশাপাশি ইসরাইলের দখলদার বসতি স্থাপনকারী ও ফিলিস্তিনি নাগরিকদের মধ্যে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে। 
এদিকে নিরপরাধ ফিলিস্তিনিদের সমর্থনের দক্ষিণ লেবানন থেকে দখলদার ইসরাইলী বসতি লক্ষ করে তিনটি রকেট নিক্ষেপ করা হয়েছে। এতে হতাহতের কোন সংবাদ পাওয়া যায় নি।
পটিয়ার কিশোর গ্যাং লিডার ছিনতাইকারী ‘কিং সরশ’ জেলে; ভয়েস অব পটিয়া; পটিয়া; চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা; চট্টগ্রাম; চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক; ইন্দ্রপুল লবণ শিল্প, পটিয়া লবণ শিল্প, পটিয়া বাইপাস, চাঁনখালী খাল, কক্সবাজার; শ্রীমাই খাল; শ্রীমতি খাল; Voice of Patiya
ছবিঃ কিশোর গ্যাং লিডার ছিনতাইকারী সরওয়ার ওরফে ‘কিং সরশ’ 

ভয়েস অব পটিয়া
-নিউজ ডেস্কঃ
পটিয়ায় ছিনতাইকারী চক্রের মূল হোতা ‘কিশোর গ্যাং’ লিডার সরওয়ার ওরফে কিং সরশকে (২২) জেলে পাঠিয়েছে আদালত। বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) পটিয়া যুগ্ম জেলা জজ আদালতের জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট বিশ্বেশর সিং তাকে জেলে পাঠানোর আদেশ দেন। 

সরওয়ার ওরফে কিং সরশ পটিয়া উপজেলার দক্ষিণভূর্ষি ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের মৌলভী রফিক আহমদের বাড়ির ফজল করিমের ছেলে।

মঙ্গলবার (৪ ফেব্রুয়ারী ) সন্ধ্যায় উপজেলার খানমোহনা এলাকা থেকে মোবাইল ছিনতাই এর ঘটনায় দায়ের করা মামলায় অভিযান চালিয়ে পুলিশ কিশোর গ্যাং লিডার কিং সরশকে গ্রেফতার করে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে পটিয়া থানার ওসি (অফিসার ইনচার্জ) বোরহান উদ্দিন জানান, ‘গ্রেপ্তারের পর ছিনতাইকারী কিশোর গ্যাং লিডার সরওয়ার ওরফে কিং সরশকে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে ছিনতাই হওয়া মোবাইলটি উদ্ধার করা হয়। তাকে আসামি করে মামলা দায়েরের পর আদালতে প্রেরণ করলে আদালত জেলে পাঠানোর নির্দেশ দেন।’
পটিয়া উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র কৌশলে ছিনতাই করে আসছিলো। এসব ঘটনায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে বেশ কয়েকজন ছিনতাইকারীকে গ্রেফতার করে। জিজ্ঞাসাবাদে ছিনতাইকারী চক্রের অপরাধের চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।’

দেখুন >> পটিয়ায় কিশোর গ্যাং লিডার গ্রেফতার  
                 পটিয়া পৌরসভার ছিনতাইকারী কিশোর গ্যাং গ্রুপ

প্রত্যক্ষদর্শী ও মামলা সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার (০১ ফেব্রুয়ারী) উপজেলার দক্ষিণ ভূর্ষি ইউনিয়নের শেখ রাসেল স্মৃতি পাঠাগার এলাকায় জায়গা পরিদর্শন করতে যান পটিয়া সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসের সার্ভেয়ার রবিন দাশ। কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে দক্ষিণ ভূর্ষি ইউনিয়নের কেচিয়াপাড়া বিনি ডাক্তারের বাড়ির সামনের রাস্তায় কিশোর গ্যাংয়ের দুই সদস্য সার্ভেয়ার রবিনের পথরোধ করে। তারা সার্ভেয়ার রবিনকে ডিশের তার দিয়ে বেধড়ক পেটাতে থাকে। এক পর্যায়ে তারা রবিনের সাথে থাকা নগদ টাকা ও মোবাইল ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়। এই ঘটনায় সার্ভেয়ার রবিন দাশ বাদী হয়ে পটিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার (০৪ ফেব্রুয়ারী) সন্ধ্যায় খানমোহনা এলাকায় অভিযান চালিয়ে উক্ত ছিনতাইকারী চক্রের সদস্য কিশোর গ্যাং লিডার সরওয়ার ওরফে কিং সরশকে পুলিশ আটক করে। জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে কিং সরশের শয়নকক্ষ থেকে ছিনতাই হওয়া মোবাইলটি উদ্ধার করে পুলিশ।

পটিয়া সম্পর্কে জানতে ও জানাতে আমাদের ফেসবুক পেজের সাথে থাকুন।
ওমরা হজ্বযাত্রীদের টাকা হাতিয়ে উধাও মাদ্রাসা অধ্যক্ষ!; ভয়েস অব পটিয়া; পটিয়া; কর্ণফুলি; চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা; চট্টগ্রাম; চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক; ইন্দ্রপুল লবণ শিল্প, পটিয়া লবণ শিল্প, পটিয়া বাইপাস, চাঁনখালী খাল, কক্সবাজার; শ্রীমাই খাল; শ্রীমতি খাল; Voice of Patiya

ভয়েস অব পটিয়া-নিউজ ডেস্কঃ ওমরা হজ্বের নামে হজ্বযাত্রীদের ২৩ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে পটিয়ার এক মাদ্রাসা অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে। 
অভিযুক্ত মাওলানা ওমর ফারুক জব্বারী পটিয়া উপজেলার আশিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ আশিয়া গাউছিয়া সুন্নিয়া আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ এবং আন্দরকিল্লাধীন আল জব্বার হজ্ব কাফেলার স্বত্বাধিকারী।

গত ১৯ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার পবিত্র ওমরা হজ্ব পালন করতে যাওয়ার প্রাক্কালে ভুক্তভোগীরা চট্টগ্রাম হযরত শাহ আমানত বিমানবন্দরে গিয়ে জানতে পারেন তাদের ভিসা-টিকেট কোনকিছুই করা হয় নি। অভিযুক্ত ওমর ফারুক জব্বারীকে বিমানবন্দরে গিয়ে না পেয়ে ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তার ব্যবহৃত সকল নাম্বার বন্ধ পাওয়া যায়। যার ফলে বিমানবন্দর থেকে ফেরত আসতে হয় সৌদিআরবগামী ২৩ হজ্ব যাত্রীকে। তাদের মধ্যে কর্ণফুলী উপজেলার চরলক্ষ্যা ইউনিয়নের সৈন্যেরটেক এলাকার একই পরিবারের ৯ জনসহ মোট ৩২ জন হজ্ব যাত্রী প্রতারণার শিকার হন।
আল জব্বার হজ্ব কাফেলা প্রতিষ্ঠানটির কার্যালয় চট্টগ্রাম নগরীর আন্দরকিল্লা এলাকায়। 

ভুক্তভোগী কয়েজন হজ্বযাত্রীর সাথে কথা বললে তারা জানান, “গত বৃহস্পতিবার ১৯ ডিসেম্বর পবিত্র ওমরা হজ্ব পালনের উদ্দেশ্যে তারা বাড়ি থেকে চট্টগ্রাম শাহ আমানত বিমান বন্দরে আসেন। বিমানবন্দরে এসে তারা জানতে পারেন তারা প্রতারণার শিকার হয়েছেন। হজ্ব কাফেলার দায়িত্বে নিয়োজিত ব্যক্তিদের কাউকে সেখানে না পেয়ে স্বত্বাধিকারী ওমর ফারুক জব্বারীকে দফায় দফায় ফোন দেয়া হলেও তার ব্যবহৃত মোবাইল নাম্বারগুলো বন্ধ পাওয়া যায়। পরে কোন সমাধান না পেয়ে পরে তারা বিমানবন্দর থেকে বাড়িতে ফেরত চলে যান।”
তারা জানান, “পবিত্র ওমরা হজ্বব্রত পালনের জন্য পটিয়া উপজেলার শাহচাঁন্দ আউলিয়া কামিল মাদ্রাসার আরবী প্রভাষক মাওলানা হামিদুল হকের মাধ্যমে আল-জব্বার হজ্ব কাফেলায় ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা জমা করি। আল জব্বার হজ্ব কাফেলার স্বত্বাধিকারী মাওলানা ওমর ফারুক জব্বারী গত ১৪ ডিসেম্বর শনিবার চট্টগ্রাম নগরীর নন্দনকানন এলাকায় পুলিশ প্লাজার একটি হোটেলে আমাদের হজগমনকারীদের একটি কর্মশালা করান। পরে ১৮ ডিসেম্বর বুধবার আমাদের হাতে ভিসা ও বিমানের টিকেট দেওয়ার কথা থাকলেও বুধবার রাতে অধ্যক্ষ মাওলানা ওমর ফারুক জব্বারী আমাদেরকে জানান, বৃহস্পতিবার সকালে টিকিট ও ভিসা প্রদান করা হবে। এই ভিত্তিতে আমরা বৃহস্পতিবার ১৯ ডিসেম্বর সকালে বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে রওনা দিই। সৌদিআরবগামী আমাদের ফ্লাইট বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে বারোটায় বলে জানান মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ওমর ফারুক জব্বারী। কিন্তু অধ্যক্ষ ওইদিন আমাদেরকে আমাদের পাসপোর্ট, ভিসা, টিকিট কিছু না দিয়ে মোবাইল বন্ধ রাখেন। দীর্ঘ ২ ঘণ্টা বিমানবন্দরে অপেক্ষায় থাকার পর তার সাথে কোনরূপ যোগাযোগ করতে না পেরে আমরা যার যার বাড়িতে ফিরে যাই।’ 

এ ব্যাপারে জানার জন্য অভিযুক্ত আল জব্বার হজ্ব কাফেলার স্বত্বাধিকারী দক্ষিণ আশিয়া গাউছিয়া সুন্নিয়া আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ওমর ফারুক জব্বারীর ব্যক্তিগত মোবাইল নাম্বারে একাধিকবার যোগাযোগ করেও তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি। 

এ বিষয়ে পটিয়া উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মঈনুল হক রাশেদ জানান, “আমার দুই আত্মীয়ও ওমরা হজ্বের জন্য টাকা জমা দিয়ে এ মাওলানার কাছ থেকে প্রতারণার শিকার হয়েছেন। মাওলানা ওমর ফারুক জব্বারী যিনি নিজের নামে রেজিস্ট্রেশনবিহীন হজ্ব কাফেলা খুলে ২৩ ওমরা হজ্ব গমণকারী হতে জনপ্রতি ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা করে মোট ২৭ লাখ ৬০ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। পবিত্র ওমরা হজ্বের নাম ভাঙিয়ে এ ধরনের প্রতারণাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।” 
এ দিকে এ ঘটনায় সমালোচনার ঝড় উঠেছে সোস্যাল মিডিয়াতে, জাহাঙ্গীর আলম নামের এক কুসুমপুরা ইউপি সদস্য লিখেছেন, “যদি মৌলানা সাহেবরা এ ধরনের প্রতারণা করে বেড়ায় আমরা সাধারণ মানুষরা কোথায় যাব? আল্লাহ এদের হেদায়েত করুক।” জাহেদ চৌধুরী নামের আরেক ব্যক্তি লেখেন, “কিছুদিন যাবত বিভিন্ন এলাকার কিছু সংখ্যক মৌলভীর অপকর্ম সংবাদ মাধ্যমে দেখতে পাচ্ছি, আজ নিজের এলাকারটাও দেখলাম। বিশ্বাসের জায়গাটা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ওকে ধরে আধ ঘণ্টা জুতাপিটা করা হোক।” 

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাবিবুল হাসান জানান, “এ ধরনের প্রতারক চক্র ধরার জন্য প্রশাসন সদা তৎপর রয়েছে। মৌখিক ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ ঘটনা সম্পর্কে অবগত হলেও এখনও পর্যন্ত কেউ লিখিত অভিযোগ করেননি। লিখিত অভিযোগ করলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।” 

হজ্ব এজেন্সী এসোসিয়েশন বাংলাদেশ (হাব) এর চট্টগ্রাম বিভাগের সভাপতি মাহমুদুল হক পেয়ারু বলেন, “পবিত্র হজ্বের নামে প্রতরণাকারী এজেন্সীর বিরুদ্ধে আমরা সাংগঠনিকভাবে ব্যবস্থা নেব, প্রশাসনকে এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার জন্য ইতিমধ্যে আমরা বলেছি।”
পটিয়ায় কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য গ্রেফতার; ভয়েস অব পটিয়া; পটিয়া; চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা; চট্টগ্রাম; চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক; ইন্দ্রপুল লবণ শিল্প, পটিয়া লবণ শিল্প, পটিয়া বাইপাস, চাঁনখালী খাল, কক্সবাজার; শ্রীমাই খাল; শ্রীমতি খাল; Voice of Patiya

ভয়েস অব পটিয়া-নিউজ ডেস্কঃ ছিনতাইয়ের অভিযোগে শহিদুল ইসলাম ওরফে বাবু (২০) নামের এক কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পটিয়া থানা পুলিশ। 
গ্রেফতার শহিদুল ইসলাম বাবু চন্দনাইশ উপজেলার বরমা ইউনিয়নের সাতবাড়িয়া এলাকার কামাল উদ্দিনের ছেলে। মঙ্গলবার (০২ ডিসেম্বর) তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। 

পুলিশ জানায়, মোঃ শাহজাহান নামের এক ব্যক্তি গত ৩০ নভেম্বর বিকালে হাইদগাঁও ইউনিয়নের ওসমানপাড়া এলাকা থেকে ডেকোরেশনের কাজ শেষ করে দোকানে ফিরছিলেন। পথিমধ্যে কয়েকজন ছিনতাইকারী তাকে কুপিয়ে সাথে থাকা ১১ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যায়। আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। 
এ ঘটনায় আহত মোঃ শাহজাহান বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ৫/৬ জনকে আসামী করে পটিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার অন্য আসামিরা হল মোঃ সজিব (২০), মোঃ কাইয়ুম (২৩) ও মোঃ জাহেদ (২০)। 

পটিয়া থানার ওসি (তদন্ত) জব্বারুল ইসলাম জানান, ‘ছিনতাইয়ের ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে শহিদুল ইসলাম বাবু নামের এক কিশোরকে গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে সে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। ছিনতাইয়ে জড়িত অন্যদেরকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।’