"জনদূর্ভোগ" ক্যাটাগরীর সকল আর্টিকেল
জনদূর্ভোগ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
একবছর ধরে রেলসেবা বঞ্চিত চট্টগ্রাম-পটিয়া-দোহাজারীর ১০ হাজার যাত্রী; রেল; চট্টগ্রাম-দোহাজারী; চট্টগ্রাম-পটিয়া; দোহাজারী; পটিয়া; চট্টগ্রাম; ট্রেন; রেল; Rail; Train; Chittagong; Chattogram; Patiya; Dohazari; Coxsbazar
একবছর ধরে রেলসেবা বঞ্চিত চট্টগ্রাম-পটিয়া-দোহাজারীর ১০ হাজার যাত্রী

ভয়েস অব পটিয়া-নিউজ ডেস্কঃ এক বছরের বেশি সময় ধরে বন্ধ চট্টগ্রাম-পটিয়া-দোহাজারী রুটের লোকাল ট্রেন। ২০১৮ এর শেষের দিকে ঘটা করে চালু হওয়া দু্ই জোড়া যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল এই রুটে বন্ধ থাকায় দূর্ভোগে পড়েছেন অত্র অঞ্চলের প্রায় ১০ হাজার রেলযাত্রী। 

প্রায় বছরখানেক আগেও ভোরের ট্রেন ধরে চট্টগ্রাম শহরে যাতায়াতের সহজ ও নিরাপদ মাধ্যম ছিল এ দুজোড়া লোকাল ট্রেন। বর্তমানে কেবলমাত্র একটি ডেমু ট্রেন চালু রয়েছে এই রুটে যা চলছে মাত্র কয়েকটি বগি নিয়ে তাও অনিয়মিত, যাতে যাত্রীধারণ ক্ষমতা পূর্বের লোকাল ট্রেনের ১ শতাংশেরও কম। 

চট্টগ্রাম-পটিয়া-দোহাজারী রেল রুটে রয়েছে ১৪টি স্টেশন। স্টেশনগুলো হচ্ছেঃ- দোহাজারী, হাশিমপুর, খানহাট, কাঞ্চননগর, খরনা, চক্রশালা, পটিয়া, ধলঘাট, বেঙ্গুরা, গোমদন্ডী, জানালীহাট, ষোলশহর, ঝাউতলা, চট্টগ্রাম। এ স্টেশনগুলো থেকে প্রতিদিন প্রায় ১০ হাজারের অধিক রেলযাত্রী যাতায়াত করতেন। কিন্তু বর্তমানে লোকাল ট্রেনজোড়া চলাচল বন্ধ থাকায় রেলসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বৃহত্তর এ অঞ্চলের মানুষজন। 

রেলযাত্রীরা বলেন, ‘ভোরের ট্রেন ধরে সকাল সকাল চট্টগ্রাম শহরে যেতাম। নিরাপদ ও সহনশীল ভাড়া হওয়ার কারণে রেলে যাত্রীসংখ্যা ছিল প্রচুর। শুধু দোহাজারী স্টেশন থেকেই প্রতিদিন গড়ে প্রায় পাঁচ শতাধিক যাত্রী যাতায়াত করলে লোকাল ট্রেনে। এ ট্রেনগুলো বন্ধ থাকায় এখন ভোগান্তিতে পড়েছি।’ 

রেলওয়ে সূত্র জানায়, ‘করোনাকালীন বন্ধ হয়ে যায় এই রুটের দুজোড়া লোকাল ট্রেন। এরপর এটি এখন অবধি চালু করা হয় নি। টিটি, গার্ডসহ লোকবল সংকটের কারণে চালু করা যাচ্ছে না বলে জানায় রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। লোকবল পেলেই চালু হবে বন্ধ হয়ে যাওয়া লোকাল ট্রেন দুটি।’
পটিয়া বিদ্যুৎ বিতরণ বিভাগের (পিডিবি) অনিয়ম-দুর্নীতি, গ্রাহকদের হয়রানী; ভয়েস অব পটিয়া; পটিয়া; চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা; চট্টগ্রাম; চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক; ইন্দ্রপুল লবণ শিল্প, পটিয়া লবণ শিল্প, পটিয়া বাইপাস, চাঁনখালী খাল, কক্সবাজার; শ্রীমাই খাল; শ্রীমতি খাল; Voice of Patiya
ছবিঃ পিডিবি পটিয়া দালাল গ্রুপের প্রধান সমন্বয়ক মনছুর
 
ভয়েস অব পটিয়া-নিউজ ডেস্কঃ পটিয়া বিদ্যুৎ বিতরণ বিভাগের (পিডিবি) অনিয়ম-দুর্নীতি, দালালদের দৌরাত্ম, সাধারণ গ্রাহকদের হয়রানী বেড়েই চলছে।

মিটার রিডারদের মনগড়া বিল করার কারণে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছে সাধারণ গ্রাহকরা। ইচ্ছাকৃতভাবে মনগড়া বিল করার কারণে ব্যবহারের অতিরিক্ত বিলের বোঝা বইতে হচ্ছে গ্রাহকদের। অতিরিক্ত বিলের ব্যাপারে অভিযোগ জানাতে গেলে অবৈধভাবে মামলা দেয়ার হুমকিতে হাতিয়ে নেয়া হচ্ছে মোটা অংকের টাকা। এনালগ মিটারের পরিবর্তে ডিজিটাল মিটার স্থাপনের পরামর্শ দেয় রিডাররা। এতে নতুন মিটার স্থাপনে প্রতি মিটারে টেকনিশিয়ানরা হাতিয়ে নেয় ৫-১০ হাজার টাকা।

জানা যায়, পটিয়া বিদ্যুৎ বিতরণ বিভাগের (পিডিবি) এক শ্রেণির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যোগসাজশে অনিয়ম-দুর্নীতির মাধ্যমে সাধারণ গ্রাহকদের হয়রানী করতে তৎপর একটি দালাল গ্রুপ। এই দালাল গ্রুপের প্রধান সমন্বয়ক হিসেবে কাজ করছে মনছুর নামক এক দালাল, তার সাথে সহায়ক হিসেবে আছে লাইনম্যান এনাম। দালাল মনছুর ও লাইনম্যান এনামের নেতৃত্বে পিডিবি পটিয়ার কর্মকর্তা-কর্মচারী-প্রকৌশলীদের প্রত্যক্ষ মদদে পটিয়ার বিভিন্ন এলাকা তার্গেট করে গ্রাহকদের মনগড়া বিল প্রদানপূর্বক তা মিটমাটে মোটা অংকের টাকা দাবি করে এই দালাল চক্রটি। কোন কারণ ছাড়াই মিটার খুলে নেয়া, সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা, পুনরায় সংযোগের জন্য বিপুল অংকের টাকা দাবি করা, টাকা না দিলে অবৈধভাবে মামলা দায়েরের হুমকি প্রদান করে জিম্মি করে বেড়াচ্ছে সাধারণ গ্রাহকদের। 

এছাড়াও ঘুষ ছাড়া মেলে না নতুন সংযোগ, মেরামত হয় না বিদ্যুৎলাইনের ত্রুটি। নতুন সংযোগ নিতে হলে/এনালগের পরিবর্তে ডিজিটাল মিটার নিতে হলে পিডিবি পটিয়া অফিসের সামনে অবস্থিত দালাল মনছুরের মালিকানাধীন ‘সামি এন্টারপ্রাইজ’ থেকে দ্বিগুণ মূল্যে মিটার কিনতে বাধ্য করা হয় গ্রাহকদের, অন্যথায় সংযোগ মিলে না। সংযোগ নিতে দীর্ঘসূত্রিতা, ঠিকাদারের চাঁদাবাজি, সিস্টেমের মধ্যে বিদ্যুৎ চুরি, লো-ভোল্টেজ সাপ্লাই, মিটার রিডারদের অতিরিক্ত বিল দিয়ে ভোগান্তি, দালাল দিয়ে হয়রানি, ইলেকট্রিশিয়ান ও বিদ্যুৎ পরিদর্শকদের হয়রানি, বিভিন্ন বাসাবাড়ির ওপর দিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যুৎ সংযোগ থাকায় প্রাণহানির ঘটনাসহ বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ তো রয়েছেই।

দালাল গ্রুপের সমন্বয়ক মনছুরের নামে ইতিমধ্যে অনেক অভিযোগ সংশ্লিষ্ট বিভাগে জমা রয়েছে, তা সত্ত্বেও পিডিবির উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ ব্যাপারে নীরব। সাধারণ গ্রাহকদের কাছ থেকে অবৈধভাবে টাকা হাতিয়ে নিয়ে এসব দালালরা বনে গেছে কোটি কোটি টাকা মূল্যের গাড়ি-বাড়ির মালিক। পটিয়া বিদ্যুৎ বিতরণ বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী-প্রকৌশলীদের অনিয়ম-দুর্নীতি নিয়ে উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে দফায় দফায় অভিযোগ জানালেও সুরাহা হয় নি কোনকিছুরই। 

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে, পটিয়া বিদ্যুৎ বিতরণ বিভাগের (পিডিবি) কর্মকর্তাদের কাছ থেকে এর কোন সদুত্তর পাওয়া যায়নি।

পটিয়ার সাধারণ গ্রাহকরা অবিলম্বে পটিয়া বিদ্যুৎ বিতরণ বিভাগের (পিডিবি) কর্মকর্তা-কর্মচারী-দালালদের অনিয়ম-দুর্নীতি রোধকল্পে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়াসহ গ্রাহক হয়রানী রোধের আবেদন জানিয়েছেন।

পটিয়ায় সার্জেন্ট মহি আলম খালের দূষণরোধে মানববন্ধন; পটিয়া; চট্টগ্রাম; খাল দূষণ; ফুলকলি; সার্জেন্ট মহি আলম খাল; পরিবেশ; Patiya; Chittagong; Chattogram
পটিয়ায় সার্জেন্ট মহি আলম খালের দূষণরোধে মানববন্ধন

ভয়েস অব পটিয়া-নিউজ ডেস্কঃ পটিয়া উপজেলার জঙ্গলখাইন ইউনিয়নাধীন সার্জেন্ট মহি আলম খালে কারখানার বর্জ্য নিষ্কাশনের ফলে সৃষ্ট দূষণ বন্ধের দাবীতে গতকাল (শুক্রবার, ০৫ জুলাই) চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের পটিয়া শাহগদী মার্কেট চত্বরে ‘ক্লিন বাংলাদেশ’ সংগঠনের ব্যানারে সর্বস্তরের জনসাধারণের অংশগ্রহণে এক মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

উক্ত মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তারা সার্জেন্ট মহি আলম খালের দূষণ রোধে কারখানার বর্জ্য নিষ্কাশন খালে বন্ধের দাবী জানান।

এতে বক্তারা বলেন, পটিয়ার বেশ কয়েকটি শিল্প-কারখানার বিষাক্ত বর্জ্যে সরাসরি খালে নিষ্কাশনের ফলে খাল সংলগ্ন আবাদি জমিগুলোতে প্রায় ৮ বছর ধরে বোরো ফসলের চাষ হয়না। শিল্প-কারখানার এসব বিষাক্ত বর্জ্য খালে পড়ে পরিবেশের মারাত্মক বিপর্যয়ের সৃষ্টি করেছে। শিল্প-কারখানার এসব বর্জ্যের প্রভাবে ফসলি জমির সেচের পানি দূষিত হওয়ার প্রভাবে উপজেলার তিন শতাধিক একর ধানি জমিতে বোরো চাষাবাদ বন্ধ হয়ে পড়েছে। খালের পানি দূষিত হয়ে দুর্গন্ধ চারিদিকে ছড়িয়ে পড়েছে যা ওই এলাকার পরিবেশকে বিষিয়ে তুলেছে। প্রতিনিয়তই এসব বিষাক্ত বর্জ্য খালে পড়ছে। শিল্প-কারখানার বিষাক্ত বর্জ্য খালে পড়ে পানি দূষিত করে তুললেও পরিবেশ অধিদপ্তর অজানা কারণে নীরব। 

জোয়ার-ভাটার এই খালটির সঙ্গে চাঁনখালী, বোয়ালখালী খাল ও কর্ণফুলী নদীর সংযোগ রয়েছে। এর ফলে জোয়ার ও ভাটার সময় বিষাক্ত বর্জ্য কর্ণফুলী নদীতে গিয়ে মিশছে। দূষিত পানির কারণে খালে জেলেদের মাছ ধরা বন্ধ রয়েছে। বিষাক্ত বর্জ্যের প্রভাবে সার্জেন্ট মহি আলম খালের পানি নষ্ট হয়ে নীল ও কালচে রং ধারণ করছে ও দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ছে। দুর্গন্ধের প্রভাবে খালের আশপাশের বাড়িঘর, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী ছাড়াও বহু মসজিদের মুসল্লিরা নামাজ পর্যন্ত আদায় করতে পারছেন না। খালের পাশে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে চলাচলরত হাজার হাজার যাত্রীকে প্রতিদিন ভোগান্তিতে পড়তে হয় বিষাক্ত পানির দুর্গন্ধে। 

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের পার্শ্বে পটিয়া উপজেলার আমজুর হাট মোড় থেকে শুরু করে মনসা বাদামতল এলাকার প্রায় ১৫ বর্গকিলোমিটার জুড়ে বিস্তীর্ণ সার্জেন্ট মহি আলম খাল। এই খালের পানি দিয়ে উপজেলার উজিরপুর, নাইখাইন, গৈড়লা, লড়িহরা, দক্ষিণ হুলাইন, এয়াকুবদন্ডী, তিয়ারকুল, উজিরপুর, উনাইনপুরা ও পৌরসভার আল্লাই এলাকার কয়েকশ কৃষক ধানি জমিতে প্রতি মৌসুমে চাষাবাদ করে থাকেন। খালের সম্মুখে গড়ে উঠা শাহ আমানত নিটিং এ্যান্ড ডাইং, ফুলকলি ফুড প্রোডাক্টসের বিষাক্ত বর্জ্য সরাসরি খালে ছেড়ে দেয়ার কারণে মারাত্মক পরিবেশ বিপর্যয়ের ফলে চাষাবাদ বন্ধ হয়ে পড়েছে। এলাকার কৃষকদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে খালের পানি পরীক্ষা করে পানি দূষিত হওয়ার প্রমাণ পাওয়া গেছে। খালের এই পানি দিয়ে বোরো চাষাবাদ করলে ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে। প্রতিদিন যারা এই রুট দিয়ে চট্টগ্রাম শহরে যাতায়াত করেন তাদের গৈড়লার মোড় হতে বাদামতল এলাকা পর্যন্ত পানির বাজে দুর্গন্ধে নিঃশ্বাস বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়ে যায়।

এলাকাবাসী অনতিবিলম্বে শিল্প-কারখানার বর্জ্য খালে নিষ্কাশন বন্ধের দাবী জানান। তারা এ ব্যাপারে পটিয়া উপজেলা প্রশাসন ও সাংসদ হুইপ সামশুল হক চৌধুরীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

পটিয়ায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের পাশে বর্জ্য-পৌর কর্তৃপক্ষের অব্যবস্থাপনায় দূর্ভোগ চরমে; পটিয়া; চট্টগ্রাম; Patiya; Chittagong; Chattogram; বিসিক; bscic
পটিয়ায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের পাশে বর্জ্য-পৌর কর্তৃপক্ষের অব্যবস্থাপনায় দূর্ভোগ চরমে

ভয়েস অব পটিয়া-নিউজ ডেস্কঃ চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের পটিয়া বিসিক শিল্প নগরী সংলগ্ন অংশে দীর্ঘদিন যাবত পৌরসভা কর্তৃপক্ষ কর্তৃক স্তুপকৃত বর্জ্য যথাযথভাবে ডাম্পিং না করে উন্মুক্ত স্থানটিতে স্তুপ করে রাখার কারণে দূর্গন্ধে এলাকার পরিবেশ ভারী হয়ে উঠেছে। এতে করে নিদারুণ দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে স্থানীয় ও দূরপাল্লার বিভিন্ন যানবাহনের যাত্রীসহ মহাসড়কের পাশ দিয়ে চলাচলরত পথচারীদের। 

স্থানীয় লোকজন ও যাত্রী সাধারণ এ দুর্ভোগ থেকে রেহাই পেতে পৌর কর্তৃপক্ষের নিকট দাবি জানিয়েছেন। তারা বর্জ্য উন্মুক্ত স্থানে না রেখে শহরাঞ্চল থেকে দূরবর্তী স্থানে এ ধরণের বর্জ্য অপসারণের আহবান জানান। 

পটিয়া পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর কামাল উদ্দিন বেলাল ভয়েস অব পটিয়া’কে বলেন, ‘পৌরসভা কর্তৃপক্ষের অব্যবস্থাপনা ও পৌর মেয়রের খামখেয়ালীর কারণে মহাসড়কের পাশে পশুর বর্জ্য স্তুপ করা হয়েছে। এসব বর্জ্যে পুরো এলাকাজুড়ে বিরক্তিকর দুর্গন্ধ প্রতিদিন মানুষকে বিষিয়ে তুলছে।’

সরেজমিনে পরিদর্শনে দেখা যায়, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের পটিয়া পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডের বিসিক শিল্প এলাকার সামনে দীর্ঘদিন ধরে পটিয়া পৌরসভা কর্তৃপক্ষ বর্জ্য ফেলে আসছে। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত কোরবানীর পশুর বর্জ্য-আবর্জনা একই স্থানে রাখা হয়েছে। এ কারণে দুর্গন্ধের মাত্রা আরো বেড়েছে। এতে এসব ময়লা-আবর্জনার দূর্গন্ধে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে বিসিক শিল্পনগরীর লোকজন, ব্যবসায়ী, কর্মচারী, শ্রমিক, শিক্ষার্থী ও মহাসড়কে যাতায়াতকারী যানবাহনের প্রতিদিনকার সহস্রাধিক যাত্রী। কোরবানীর দিন বিকেলে পৌরসভার বর্জ্যবাহী গাড়ি বর্জ্য তুলে নিয়ে মহাসড়কের বিসিক শিল্প এলাকার সন্নিকটে ফেলে। স্তুপকৃত বর্জ্যে দুর্গন্ধ প্রতিরোধে কোন ধরনের রাসায়নিক পদার্থ/কোন ব্যবস্থা না নেয়ায় গত তিন দিন ধরে চারিদিকে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছে। 

তাছাড়া পটিয়া পৌরসভার ৪ নং ওয়ার্ডের সর্দারপাড়া কবরস্থানের পাশে চলাচল রাস্তার উপর বর্জ্য, ৩ নং ওয়ার্ডের আবদুর রহমান সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে হাড্ডি সুলতানের ভাঙ্গারী মালের গুদামে স্তুপ করা হয়েছে পশুর হাড়গোড়। ফলে এসব এলাকাতেও দূর্গন্ধে পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে। বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিক্ষার্থীরা দুর্গন্ধে যাতায়াতে বেকায়দায় পড়ছে। 

পৌরসভার ৯ টি ওয়ার্ডের চলাচল রাস্তার বিভিন্ন স্থানে এখনো পড়ে রয়েছে কোরবানীর পশুর বর্জ্য। যার ফলে পুরো পটিয়া পৌরসভার আকাশ বাতাস বর্জ্যের দুর্গন্ধে ভারী হয়ে উঠেছে।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে পটিয়া পৌরসভার মেয়র হারুনুর রশিদ ভয়েস অব পটিয়া’কে জানান, ‘পৌরসভার বর্জ্য অপসারণ ও মজুতের জন্য অনেকবছর যাবত বিসিকের সামনে এ এলাকাটি নির্ধারিত ছিল। তারই ধারাবাহিকতায় প্রতিবছরের ন্যায় এ বছরও একই স্থানে বর্জ্য রাখা হয়েছে। দুর্গন্ধরোধে পৌরসভার পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ঔষধ ছিটিয়ে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।’ 

পটিয়া পৌরসভার সচিব মোহাম্মদ মহসিন জানান, ‘পৌরসভার বর্জ্য অপসারণের নির্ধারিত কোন জায়গা না থাকায় বিসিক শিল্প এলাকার সামনে অস্থায়ীভাবে মজুদ করা হচ্ছে। বর্জ্য প্রক্রিয়াজাত করার জন্য ইন্দ্রপুল এলাকায় জনবসতি স্থাপনার অদূরে একটি স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে এ প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হবে। প্রকল্পটি এখনো মন্ত্রণালয়ে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’
পরিবহন নৈরাজ্যের প্রতিবাদে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা যাত্রী কল্যাণ পরিষদের মতবিনিময় সভা; পটিয়া; চট্টগ্রাম; Patiya; Chittagong; Chattogram
পরিবহন নৈরাজ্যের প্রতিবাদে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা যাত্রী কল্যাণ পরিষদের মতবিনিময় সভা

ভয়েস অব পটিয়া-বিশেষ প্রতিনিধিঃ নতুনব্রীজ-পটিয়া রুটে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়, পরিবহন মালিক-শ্রমিকদের দৌরাত্ম, যাত্রী হয়রানীসহ বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা যাত্রী কল্যাণ পরিষদের উদ্যোগে এক মতবিনিময় সভা আজ শুক্রবার বিকালে আবদুস সোবহান রাহাত আলী উচ্চ বিদ্যালয় মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। 
এতে পটিয়াস্থ চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাসহ দক্ষিণ চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকার যাত্রীসাধারণরা উপস্থিত ছিলেন। 

মতবিনিময় সভায় বক্তারা দক্ষিণ চট্টগ্রামের পরিবহন মালিক-শ্রমিক কর্তৃক যাত্রীদের হয়রানি, অবৈধভাবে নির্ধারিতের চেয়ে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়সহ পরিবহন সংশ্লিষ্টদের দৌরাত্ম সম্পর্কে তাদের অভিজ্ঞতা, অভিযোগ তুলে ধরেন। 

বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) পটিয়া শাখার আহ্ববায়ক বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ স.ম.ইউনুস এর সভাপতিত্বে উক্ত মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন, মুক্তিযোদ্ধা খালেক খান, কাউন্সিলর গোফরান রানা, এডভোকেট খোরশেদ আলম, সাবেক কাউন্সিলর মোহাম্মদ ইব্রাহীমসহ আরো অনেকে।

উক্ত মতবিনিময় সভায় উপস্থিত সকলেই নতুনব্রীজ-পটিয়া রুটে নির্ধারিত ভাড়া নিশ্চিতকরণ, শিক্ষার্থী-যাত্রী সাধারণকে হয়রানী বন্ধপূর্বক তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, বিআরটিসি বাস সার্ভিস বৃদ্ধিকরণসহ বিভিন্ন দাবি দাওয়া তুলে ধরেন। 

মতবিনিময় সভা হতে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকসহ পরিবহন মালিক-শ্রমিক সংগঠনগুলোকে বিভিন্ন দাবিদাওয়া সম্বলিত স্মারলিপি প্রদান, পটিয়ার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে মানববন্ধনের ঘোষণা দেওয়া হয়। 


শ্রীমাই খালের বেড়িবাঁধে ভাঙন-সংস্কার না হওয়ায় পাহাড়ি ঢলের আতঙ্কে এলাকাবাসী; পটিয়া; চট্টগ্রাম; Patiya; Chittagong; Chattogram
ছবিঃ শ্রীমাই খালের বেড়িবাঁধে ভাঙন কবলিত অংশ

ভয়েস অব পটিয়া-নিউজ ডেস্কঃ সাম্প্রতিক প্রবল বর্ষণে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে পটিয়ার শ্রীমাই খাল বেড়িবাঁধের ছনহরা ও ভাটিখাইন অংশ ব্যাপক ভাঙনের সম্মুখীন হয়। বরাদ্দের অভাবে বেড়িবাঁধের ভেঙ্গে যাওয়া অংশ মেরামত করা যাচ্ছে না। ফলে এলাকাবাসীর মধ্যে আরো বড় ধরনের ভাঙনের অাতঙ্ক বিরাজ করছে। পাহাড়ী ঢলের পানি থেকে রক্ষাকল্পে উক্ত বাঁধ দ্রুত মেরামতের জন্য স্থানীয় এমপি, উপজেলা চেয়ারম্যানসহ পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের নিকট এলাকাবাসী জোর দাবি জানিয়েছেন। সম্প্রতি শ্রীমতি খালের বেড়িবাঁধ মেরামতের জন্য পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে প্রায় ১২ লক্ষ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। অসময়ে বরাদ্দ পাওয়া ও বর্ষার কারণে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের অবহেলায় ভাঙনের কবলে পড়া বেড়িবাঁধের কেবল ১টি স্পটে সামান্য কাজ করা হলেও বাকী আরও ৫টি অংশে কাজ করা সম্ভব হয়নি। এর ফলে বরাদ্দকৃত টাকা ফেরত যায়।

প্রবল বর্ষণে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের প্রভাবে শ্রীমাই খালের ছনহরা ও ভাটিখাইন অংশে ব্যাপক অংশ ভাঙনের কবলে পড়ে। এতে ছনহরা, ভাটিখাইন এলাকার প্রায় ২০০ একর জমিতে পলি মাটি জমে ভরাট হয়ে যায়। এলাকাবাসীর অনেকের ঘরবাড়ি পাহাড়ী ঢলে তলিয়ে যায়। এ ছাড়া প্রায় ৫ শতাধিক পুকুরের মাছ ও ছোট-বড় পোনার পুকুর ভেসে গিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়। বেড়িবাঁধের ভেঙে যাওয়া অংশ মেরামত না করায় ২য় বারের বর্ষণেও পুনরায় এলাকা প্লাবিত হয়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হয়।

এ ব্যাপারে কথা বললে, স্থানীয় ছনহরা ইউপি চেয়ারম্যান আবদুর রশিদ দৌলতী ও ভাটিখাইন ইউপি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ বখতিয়ার উদ্দীন ভয়েস অব পটিয়া’কে জানান, বেড়িবাঁধ ভাঙনের পর থেকে স্থানীয় এমপি সামশুল হক চৌধুরী ও পটিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোজাফর আহমদ চৌধুরী টিপুসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করেন এবং অতি দ্রুত ভাঙন কবলিত বেড়িবাঁধ মেরামত করার জন্য আশ্বাস দিলেও বরাদ্দের অভাবে তা মেরামত করা সম্ভব হচ্ছে না।

এদিকে পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক বেড়িবাঁধ মেরামতের জন্য প্রায় ১২ লক্ষ টাকা বরাদ্দ দিলেও ভাটিখাইন এলাকার সামান্য অংশে দায়সাড়া গোছের মেরামত কাজ করে। ফলে গত অর্থবছর শেষ হয়ে যাওয়াতে যথাসময়ে কাজ না করায় বরাদ্দকৃত টাকা ফেরত চলে যায়। এই বেড়িবাঁধ দিয়ে ছনহরা, ভাটিখাইন ও আশিয়া ইউনিয়নের শত শত লোকজন, স্কুল-কলেজের ছাত্র–ছাত্রী পটিয়া সদরে যাতায়াত করে থাকেন। বেড়িবাঁধটি ভেঙে যাওয়ায় জনসাধারণেকে চলাচলে সীমাহীন দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

এ ব্যাপারে পটিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোজাফফর চৌধুরী ভয়েস অব পটিয়া’কে জানান, শ্রীমাই খালের বেড়িবাঁধের ভেঙে যাওয়া অংশে মেরামত কাজ করতে কমপক্ষে ১০ লক্ষ টাকার প্রয়োজন; কিন্তু চলতি অর্থ বছর শুরু হওয়াতে কোন বরাদ্দ পাওয়া যাচ্ছে না। উপজেলা পরিষদ থেকে দেওয়ার মত কোন বরাদ্দ নেই। এলাকাবাসীর সহযোগিতা পেলে স্বেচ্ছাশ্রম কিংবা অংশীধারিত্বের ভিত্তিতে জরুরিভাবে এই ভাঙ্গন মেরামত করা সম্ভব হবে। অন্যথায় কাজ করা সম্ভব হচ্ছে না। পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করে বরাদ্দের জন্য চেষ্টা করা হচ্ছে।

পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ ইউছুপের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ভয়েস অব পটিয়া’কে জানান, চলতি অর্থ বছরে শুরুতেই জরুরি ভিত্তিতে ভেঙে যাওয়া বেড়িবাঁধের মেরামত কাজ করার জন্য ডিজি মহোদয়ের সাথে আলাপ করে বরাদ্দ পাওয়ার আশা ব্যক্ত করেন।

এ ব্যাপারে পানি উন্নয়ন বোর্ডের পটিয়ায় কর্মরত এসডি মোহাম্মদ শওকত জানান, শ্রীমাই খালের ৫টি অংশে মেরামতের জন্য বরাদ্দকৃত ১২ লক্ষ টাকা বর্ষার কারণে কাজ করা সম্ভব হয়নি। আগামী শুষ্ক মৌসুমে পুনরায় বরাদ্দ নিয়ে কাজ করা হবে। তাছাড়া সম্প্রতি প্রবল বর্ষণের ঢলের ফলে ভেঙে যাওয়া বেড়িবাঁধ মেরামতের জন্য পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ে জানানো হয়েছে। বরাদ্দ পেলে মেরামত কাজ করা সম্ভব হবে বলে তিনি ভয়েস অব পটিয়া’কে জানান।
ঠেগরপুনি-ছনহরা সংযোগ সেতুর ভাঙনঃ সংস্কার হয়নি এক দশকেও, দুর্ভোগে এলাকাবাসী; পটিয়া; চট্টগ্রাম; Patiya; Chittagong; Chattogram
ঠেগরপুনি-ছনহরা সংযোগ সেতুর ভাঙনঃ সংস্কার হয়নি এক দশকেও, দুর্ভোগে এলাকাবাসী

ভয়েস অব পটিয়া-নিউজ ডেস্কঃ পটিয়া উপজেলার ভাটিখাইন ইউনিয়নাধীন ঠেগরপুনি এলাকায় শ্রীমতি খালের উপর নির্মিত সেতুর ভাঙন। সংস্কার হয়নি এক দশকেও। দুর্ভোগে এতদঞ্চলের জনগণ।

জানা যায়, ২০০৮ সালে পাহাড়ি ঢলের কবলে ভেঙে পড়ে ঠেগরপুনি-ছনহরা সড়ককে সংযোগ স্থাপনকারী সেতুটি। গত এক দশকেও সংস্কারের মুখ দেখেনি সেতুটি। যার ফলে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাধ্য হয়ে খালের ওপর বাঁশের সাঁকো দিয়ে চলাচল করছে এই ইউনিয়নের ছয় গ্রামের বাসিন্দারা। ভাটিখাইন ঠেগরপুনি-ছনহরা-আশিয়া সড়কের ভাটিখাইন-ছনহরা সীমানার দিকে সেতুটির অবস্থান। 

স্থানীয় গ্রামবাসীরা জানান, এ সড়ক দিয়ে প্রতিদিন ভাটিখাইন, ছনহরা ও আশিয়াসহ তিন ইউনিয়নের ছয় গ্রামের কৃষক, চাকুরিজীবী, ব্যবসায়ী, স্কুল-কলেজের কোমলমতি শিক্ষার্থীসহ প্রায় ২০ হাজার মানুষ পটিয়া উপজেলা সদরসহ বিভিন্ন এলাকায় যাতায়াত করেন। সংস্কারের অভাবে সেতুটি ব্যবহার করতে না পারায় সবাইকে বাধ্য হয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সাঁকো ব্যবহার করতে হচ্ছে। 

সরেজমিনে পরিদর্শনে গিয়ে দেখা যায়, পটিয়া পৌর সদরের ছন্দা সিনেমা এলাকা থেকে সড়কটির শুরু। উপজেলা পরিষদের সামনে থেকে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার ভিতরে গেলে ভাটিখাইন ঠেগরপুনি এলাকা। আর এ ঠেগরপুনি এলাকায় শ্রীমতি খালের ওপর বাঁশের সাঁকোটির দৈর্ঘ্য প্রায় ৭০ ফুট। সেতু ব্যবহার করতে না পারায় সড়কটি দিয়ে যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে সাধারণ জনগণকে। ঝুঁকি নিয়ে হেঁটে সাঁকো পার হচ্ছে শিশু, শিক্ষার্থী, বয়স্কসহ গ্রামবাসীরা। 

ঠেগরপুনি গ্রামের এক বাসিন্দা ভয়েস অব পটিয়া’কে বলেন, তার মেয়ে পাশের ছনহরা টিপি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দ্বিতীয় শ্রেণিতে অধ্যয়নরত। এই সাঁকো পার হয়ে মেয়েকে বিদ্যালয়ে আসা-যাওয়া করতে হয়। তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় থাকেন তিনি এই ভেবে যে, সাঁকো পার হতে গিয়ে বিভিন্ন সময়ে কয়েকটি শিশু খালে পড়ে যায়। ভাটিখাইন নলিনীকান্ত মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র অর্পণ বড়ুয়া বলে, বিদ্যালয়ে যাওয়ার সময় সাঁকোতে উঠলে তা দুলতে থাকে। বর্ষাকালে পাহাড়ি ঢলে সাঁকো নড়বড়ে হয়ে যায়। ফলে আমরা ভয়ের ভিতর থাকি। ছনহরা ইউনিয়নের উত্তর ছনহরা গ্রামের বাসিন্দা কৃষক আবদুল গফুর (৬৫) বলেন, সাঁকো দিয়ে মাঠের ফসল নিয়ে বাড়িতে যাওয়া-আসার সময় কষ্টের সীমা থাকে না।

এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জানতে চাইলে তারা জানান, সাঁকোর জায়গায় পাকা সেতু নির্মাণের জন্য পটিয়ার সাংসদ নিজেও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে চাহিদাপত্র দিয়েছেন। কিন্তু তারপরও সেতুটি হয়নি। ভাটিখাইন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ বখতেয়ার ভয়েস অব পটিয়াকে বলেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে পাকা সেতু নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে। 

পটিয়া উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম বলেন, পাকিস্তান আমলের জরাজীর্ণ সেতুটি ২০০৮ সালে পাহাড়ি ঢলে ভেঙে যায়। সেখানে পাকা সেতু নির্মাণের জন্য মন্ত্রণালয়ে প্রকল্প পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পেলে দ্রুত কাজ শুরু করা হবে।