"ইউনিয়ন" ক্যাটাগরীর সকল আর্টিকেল
ইউনিয়ন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

রাত পোহালেই পটিয়ার ১৭ ইউনিয়নের নির্বাচন; ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন; নির্বাচন কমিশন; ইভিএম; পটিয়া; চট্টগ্রাম; Patiya; Chittagong; Chattogram; Union; Election; Up Election; Election Commission; Local Government
রাত পোহালেই পটিয়ার ১৭ ইউনিয়নের নির্বাচন

ভয়েস অব পটিয়া-নিউজ ডেস্কঃ রাত পোহালেই পটিয়া উপজেলার ইউনিয়নগুলোর নির্বাচন। 
২৬ ডিসেম্বর ৪র্থ ধাপে অনুষ্ঠিতব্য ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে পটিয়ার ১৭ ইউনিয়নের - শোভনদন্ডী, বড়লিয়া ও দক্ষিণ ভূর্ষি ইউনিয়নের নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী ইতিমধ্যে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় বিনাভোটে চেয়ারম্যান হতে যাচ্ছেন। এসব ইউনিয়নের সাধারণ সদস্য ও সংরক্ষিত আসনের সদস্য পদ সহ বাকি ১২টি ইউনিয়নে ব্যালট পেপারে এবং ২টি ইউনিয়ন- হাবিলাসদ্বীপ, কুসুমপুরা ইউনিয়নে ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। 

পটিয়ার ইউনিয়নগুলো হচ্ছে, কোলাগাঁও, কাশিয়াইশ, আশিয়া, কুসুমপুরা, জিরি, জঙ্গলখাইন, বড়লিয়া, ধলঘাট, হাবিলাসদ্বীপ, হাইদগাঁও, কেলিশহর, কচুয়াই, খরনা, শোভনদন্ডী, ভাটিখাইন, ছনহরা এবং দক্ষিণ ভূর্ষি। 

ইউনিয়নগুলো ১৬০ টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ১০০ টি কেন্দ্র বেশি ঝুঁকিপূর্ণ বলে চিহ্নিত করেছে নির্বাচন কমিশন ও পটিয়া উপজেলা প্রশাসন। যার মধ্যে কুসুমপুরা, কোলাগাঁও, হাবিলাসদ্বীপ, জঙ্গলখাইন, ছনহরা, কচুয়াই, হাইদগাঁও, ধলঘাট, খরনা, জিরি, কাশিয়াইশ ও আশিয়া ইউনিয়নের ৫০টি ভোটকেন্দ্রকে অধিক গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আরাফাত আল হোসাইনী নির্বাচনের প্রস্তুতি সম্পর্কে ভয়েস অব পটিয়া’কে বলেন, ‘পটিয়ার ১৭টি ইউনিয়নে নির্বাচনের জন্য আমরা সম্পূর্ণভাবে প্রস্তুত। নির্বাচন গ্রহণে যতটুক প্রস্তুতি দরকার তা আমরা সম্পন্ন করতে পেরেছি। নির্বাচনী সামগ্রীসহ ব্যালট পেপার পৌঁছে গেছে। এলাকাগুলোতে ব্যালট পেপার বন্টন শুরু হয়েছে।’ 

সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন স্থানে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে সংঘাত-খুনের মত ঘটনা ঘটেছে। পটিয়া উপজেলার ইউনিয়নগুলোর নির্বাচনে সকলের অংশগ্রহণে একটি ভোট উৎসব প্রত্যাশা করা হলেও এটি উৎসবের হবে, নাকি শঙ্কার?? তা নিয়ে সাধারণ ভোটারদের মাঝে ব্যাপক সংশয়ের সৃষ্টি হয়েছে। নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা শুরুর পর ইউনিয়নগুলোর বিভিন্ন স্থানে পাল্টাপাল্টি এক পক্ষের আরেক পক্ষের উপর হামলা-ভাঙচুরে ভোটের দিন অবাধ, সুষ্ঠু পরিবেশ বিনষ্টের আশঙ্কা করা হচ্ছে। নির্বাচনের অংশগ্রহণকারী রাজনৈতিক দলগুলো সমর্থিত প্রার্থী, বিদ্রোহী প্রার্থী ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা এ ধরনের সহিংসতার জন্য একে অন্যকে দোষারোপ করেছে। তাছাড়াও আধিপত্য বিস্তার, বহিরাগত প্রবেশ ইত্যাদি নানা কারণে সংঘর্ষ-সংঘাতের আশঙ্কা করা হচ্ছে। 
স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ এই নির্বাচনকে ঘিরে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণের লক্ষ্যে ইতিমধ্যে নির্বাচন কমিশন কর্তৃক ম্যাজিস্ট্রেট, বিজিবি, পুলিশ, র‌্যাব, আনসার এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত অন্যান্য সংস্থাকে মোতায়েন করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মুহাম্মদ হাসানুজ্জামান ভয়েস অব পটিয়া’কে বলেন, ‘একটি সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্যে সকল প্রস্তুতি শেষ হয়েছে। ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণের সরঞ্জাম পৌঁছানো হচ্ছে। তবে ব্যালট পেপার যাবে ভোটগ্রহণের দিন ভোরে। অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণের জন্য সকল ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।’
পটিয়া পৌরসভা এলডিপির সাবেক সভাপতি কাজী ইয়াকুবের মৃত্যুবার্ষিকীতে নেতাকর্মীদের শ্রদ্ধাঞ্জলী; অলি আহমদ; কর্ণেল অলি; এলডিপি; LDP; Colonel Oli; পটিয়া; চট্টগ্রাম; জেলা; Patiya; Chattogram; Chittagong
পটিয়া পৌরসভা এলডিপির সাবেক সভাপতি কাজী ইয়াকুবের মৃত্যুবার্ষিকীতে নেতাকর্মীদের শ্রদ্ধাঞ্জলী


ভয়েস অব পটিয়া-সংবাদ বিজ্ঞপ্তিঃ পটিয়া পৌরসভা এলডিপির সাবেক সভাপতি মরহুম কাজী মোহাম্মদ ইয়াকুব এর ২য় মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন পটিয়া এলডিপির নেতাকর্মীরা।

গত ০৯ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার বিকেলে সাবেক এ নেতার মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে পটিয়া উপজেলা ও পটিয়া পৌরসভা এলডিপির নেতাকর্মীদের উদ্যোগে কচুয়াই ইউনিয়নাধীন মরহুমের কবরে কবর জিয়ারত, পুষ্পমাল্য অর্পন, দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভার আয়োজনের মধ্য দিয়ে তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনা করেন। এতে উপস্থিত ছিলেন পটিয়া পৌরসভা এলডিপি নেতা নজরুল ইসলাম, আসিফ হুদা, শাহ আলম, পটিয়া উপজেলা এলডিপি নেতা খোরশেদ আলম, গণতান্ত্রিক যুবদল পটিয়া পৌরসভার সাবেক সভাপতি মুজিবুর রহমান, গণতান্ত্রিক যুবদল নেতা মোহাম্মদ আলী, নাঈম, গণতান্ত্রিক ছাত্রদল নেতা তানিম, ইরফান, মিনহাজ, রবি প্রমুখ।

নেতাকর্মীরা মরহুম কাজী ইয়াকুবের দলের প্রতি অবদান ও তাঁর রাজনৈতিক জীবন নিয়ে আলোচনা করেন। আলোচনায় পটিয়া পৌরসভা এলডিপি নেতা আসিফ হুদা বলেন, ‘বাংলার রাজনীতির চাণক্য ডক্টর কর্ণেল (অবঃ) অলি আহমদ বীর বিক্রম এলডিপি প্রতিষ্ঠা করে যে রাজনীতির ধারার সূচনা করেছিলেন সেই রাজনীতিকে পটিয়ায় ধরে রাখতে কাজী ইয়াকুব এর অবদান অনস্বীকার্য।’
নতুন গ্যাসকূপের সন্ধানে বাপেক্স, পটিয়ার বুদবুদিছড়াও রয়েছে তালিকায়; বুদবুদিছড়া; পটিয়া; চট্টগ্রাম; Patiya; Chittagong; Chattogram
নতুন গ্যাসকূপের সন্ধানে বাপেক্স, পটিয়ার বুদবুদিছড়াও রয়েছে তালিকায়

ভয়েস অব পটিয়া-ন্যাশনাল ডেস্কঃ চট্টগ্রামজুড়ে গ্যাসের সন্ধানে মাটির গভীরে যেতে চায় বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন এন্ড প্রোডাকশন কোম্পানী (বাপেক্স)। 

রাষ্ট্রায়ত্ত্ব এ প্রতিষ্ঠানটি দেশের অন্যান্য স্পটগুলোর পাশাপাশি চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রামের মোট ৪টি স্পটে গ্যাস পাওয়ার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে। ইতিমধ্যে বাপেক্স এসব স্পটে ত্রিমাত্রিক জরিপ সম্পন্ন করেছে। জরিপের ফলাফলে, ভূপৃষ্ঠের পাঁচ কিলোমিটার গভীরে আরও গ্যাস পাওয়ার সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করেছে বাপেক্স। তালিকায় রয়েছে পটিয়ার বুদবুদিছড়াও।

চট্টগ্রামের পটিয়া বুদবুদিছড়া, সীতাকুণ্ড, বাঁশখালী এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের কাসালংয়ে ইতিমধ্যে গ্যাসের অবকাঠামো রয়েছে। এসব এলাকায় ত্রিমাত্রিক জরিপে, ভূপৃষ্ঠের প্রায় পাঁচ হাজার মিটার নিচে খনন করলে কমপক্ষে ১.৬ ট্রিলিয়ন কিউবিক ফিট (TCF) গ্যাস পাওয়া যেতে পারে। এসব স্পটগুলোতে দ্রুত অনুসন্ধান শুরুর কথা ভাবছে বাপেক্স। 

বৃহত্তর চট্টগ্রামে গ্যাস উত্তোলনের জন্য ছয় দশক পূর্ব হতে অন্তত চারটি ক্ষেত্র চিহ্নিত করা ছিল। এগুলো হচ্ছে পটিয়ার বুদবুদিছড়া, বাঁশখালীর জলদি এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের সীতাপাহাড় ও কাসালং। 

ব্রিটিশ আমলে বৃহত্তর পটিয়ার হাইদগাঁও পাহাড়ী এলাকার শ্রীমাই বুদবুদিছড়া নামক স্থানে একটি গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়। একটি বিদেশী কোম্পানী ওই গ্যাসকূপ খনন করার কাজ শুরু করে। কিন্তু তখন ওই এলাকা দুর্গম এবং নিরাপত্তাহীন হওয়ার অজুহাতে কাজ বন্ধ করে দেয় তারা।
এরপর ১৯৫৫ সালে বুদবুদিছড়া এলাকায় আবারও জরিপ চালিয়ে গ্যাসের সন্ধান পাওয়া যায়। তৎকালীন বার্মাহ অয়েল কোম্পানী নামের একটি বিদেশী গ্যাস উত্তোলনকারী কোম্পানী ওই এলাকায় গ্যাস উত্তোলনের জন্য কূপ খনন করে। কিন্তু পরবর্তীতে নানা অজুহাতে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে গ্যাসকূপের নাভীপথে সীসা ঢালাই করে ওই কূপ বন্ধ করে দেয়। এরপর কয়েকদফা ওই গ্যাস উত্তোলনের উদ্যোগ নেয়া হলেও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা এবং সদিচ্ছাগত কারণে ওই কূপ হতে গ্যাস উত্তোলনের কাজ আর এগোয়নি। এখনও হাইদগাঁও বুদবুদিছড়া এলাকা ছাড়াও শ্রীমাই খাল তীরবর্তী পাহাড়ী ১০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে প্রতিনিয়ত নির্গত হচ্ছে প্রাকৃতিক গ্যাস। মাটিতে দিয়াশলাই জ্বালালে জ্বলছে গ্যাস। 

পটিয়ার বুদবুদিছড়া এলাকা ছাড়াও ষাটের দশকের মাঝামাঝি সময়ে বাঁশখালীর জলদি এবং আশির দশকে সীতাপাহাড়ে অনুসন্ধান চালানো হয়। এছাড়াও পার্বত্য চট্টগ্রামের কাসালংয়ে তৈরি করা হয় গ্যাসকূপ খননের অবকাঠামো।

বিগত কয়েক দশকজুড়ে চট্টগ্রামজুড়ে গ্যাস অনুসন্ধান করার জন্য বেশ কয়েকদফা এতদঞ্চলের জনগণ দাবি উত্থাপন করে। এরই ধারাবাহিকতায় বাপেক্স নতুন করে গ্যাসকূপ খননের উদ্যোগ গ্রহণ করলো।
পটিয়া বাইপাস সড়কে ফের ডাকাতি; পটিয়া বাইপাস; চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক; পটিয়া; চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা; চট্টগ্রাম; ইন্দ্রপুল লবণ শিল্প; পটিয়া লবণ শিল্প; চাঁনখালী খাল; শ্রীমাই খাল; শ্রীমতি খাল; Patiya Bypass; Chittagong-Coxsbazar Highway; Chittagong; Chattogram; Highway; Patiya Salt industry
পটিয়া বাইপাস সড়কে ফের ডাকাতি

ভয়েস অব পটিয়া-নিউজ ডেস্কঃ পটিয়া বাইপাস সড়কে ফের ডাকাতি। আজ রবিবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১২.৩০টার সময় পটিয়া বাইপাস সড়কের ভাটিখাইন ইউনিয়নাধীন বাকখালী বড়ুয়ার টেক সম্মুখ এলাকায় সংঘবদ্ধ ডাকাতদলের সদস্যরা বসতি এলাকা থেকে ৩ টি গরু ডাকাতি করে নিয়ে যায়। মসজিদের মাইকের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক এই খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় জনতা ও পুলিশের টহল দল ঘটনাস্থলে উপস্থিত হওয়ার আগেই গরুচোর ডাকাতদলের সদস্যরা কমলমুন্সির হাটের দিকে পালিয়ে যায়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত পুলিশ ডাকাত দলের কাউকে গ্রেফতার করতে পারে নি।

দীর্ঘদিন ধরে পটিয়া বাইপাস সড়কে দিনে-দুপুরে কিশোর গ্যাংয়ের চুরি-ছিনতাই, রাতে ডাকাতদলের উৎপাতে আতঙ্কগ্রস্থ বাইপাস সড়ক সংলগ্ন বসতির এলাকাবাসীরা। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কর্তৃক কঠোর কোন পদক্ষেপ গ্রহণ না করায় এখন অবধি এই এলাকা চোর-ডাকাতদের নিরাপদ রুট হিসেবে পরিগণিত হচ্ছে। এলাকাবাসী উক্ত সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পেতে উপজেলা প্রশাসন ও আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছেন।
ফুলের মালায় সিক্ত বিশ্বকাপজয়ী দিপু, ফুলের মালায় বরণ করা হলো বিশ্বকাপজয়ী যুবাদের; ভয়েস অব পটিয়া; পটিয়া; চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা; চট্টগ্রাম; চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক; ইন্দ্রপুল লবণ শিল্প, পটিয়া লবণ শিল্প, পটিয়া বাইপাস, চাঁনখালী খাল, কক্সবাজার; ঢাকা; টাঙ্গাইল; সন্তোষ; আওয়ামী লীগ; মুসলিম লীগ; ভাসানী নভোথিয়েটার; আসাম; পশ্চিমবঙ্গ; লংমার্চ; ফারাক্কা; শ্রীমাই খাল; শ্রীমতি খাল; Voice of Patiya
ফুলের মালায় সিক্ত বিশ্বকাপজয়ী শাহাদাত হোসেন দিপু

ভয়েস অব পটিয়া-
নিউজ ডিস্কঃ
 বিশ্বকাপজয়ী বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলের সদস্য পটিয়া’র গর্ব শাহাদাত হোসেন দীপু সিক্ত হয়েছেন এলাকার মানুষের ভালোবাসায়। 
গলায় ফুলের মালা, মিষ্টিমুখের মাধ্যমে বরণ করে নেয়া হয়েছে ক্রিকেটের এই বরপুত্রকে। বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে চট্টগ্রাম নগরীর শুলকবহর এলাকার বাসায় ফেরার সময় এ দৃশ্যের অবতারণা হয়। 

দিপুর গ্রামের বাড়ি ঐতিহ্যবাহী পটিয়ার হাবিলাসদ্বীপ ইউনিয়নের চরকানাই গ্রামে হলেও বাবার চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চাকরির সুবাদে তাদের পুরো পরিবার চট্টগ্রাম নগরীর শুলকবহর এলাকায় রয়েছেন ১৯৮৩ সাল থেকেই। সেখানে উপস্থিত গণমাধ্যম কর্মীদের কাছে প্রতিক্রিয়ায় দীপু বলেন, গত দুই বছর ধরে ভালো খেলছিলাম। আমাদের সবার লক্ষ্যই ছিল চ্যাম্পিয়ন হওয়া।  আমরা ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ডে গেলাম। এশিয়া কাপে ফাইনাল খেলেছি। সেই ফাইনালে ৫ রানের ব্যবধানে হেরে যাওয়ার পর পরের ম্যাচে জয়টাকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিই। দক্ষিণ আফ্রিকার পচেফস্ট্রুমে ফাইনালে জয়ের পর আমরা সবাই খেলোয়াড়রা স্বাভাবিকভাবেই উচ্ছ্বসিত ছিলাম। আমাদের কোচিং স্টাফও যথেষ্ট সাপোর্ট দিয়েছেন। এরকম কোচিং স্টাফ পাওয়া সত্যি খুবই ভাগ্যের ব্যাপার। আমরা সবাই খুব ভালো একটা টিম হিসেবে খেলেছি। আমার খেলাধূলায় আজকের এ অবস্থানে আসার পিছনে মা ফেরদৌস বেগম, বড় ভাই আবুল হোসেন বাবু আর দুলাভাই ছিলেন পাশে। পাড়ার ভাই সুদীপ্ত আমাকে ইস্পাহানী ক্লাবে ভর্তি করিয়ে দেন। সবসময় তিনি আমাকে সাহস ও সমর্থন দিয়ে গেছেন। আমিও সাকিব ভাই, তামিম ভাইদের মতো লিজেন্ড হতে চাই, ওয়ার্ল্ডের ১ নম্বর অলরাউন্ডার হতে চাই, চাই দেশের সেরা ব্যাটসম্যানের একজন হতে। 

রবিবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দক্ষিণ আফ্রিকার পচেফস্ট্রুমে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ভারতকে ৩ উইকেটে হারিয়ে জয়ের স্বাদ পায় বাংলাদেশের যুবারা। শাহাদাত হোসেন দীপু স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে খেলেছেন ৭৪ রানের ইনিংস। এবারের যুব বিশ্বকাপের ৬ ম্যাচে এক হাফ সেঞ্চুরিতে মোট রান করেছেন ১৩১। হাঁকিয়েছেন ১১ চার ও ১ ছক্কা। স্ট্রাইক রেট ৭৪। 

ফুলের মালায় বরণ করা হলো বিশ্বকাপজয়ী যুবাদের; ভয়েস অব পটিয়া; পটিয়া; চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা; চট্টগ্রাম; চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক; ইন্দ্রপুল লবণ শিল্প, পটিয়া লবণ শিল্প, পটিয়া বাইপাস, চাঁনখালী খাল, কক্সবাজার; ঢাকা; টাঙ্গাইল; সন্তোষ; আওয়ামী লীগ; মুসলিম লীগ; ভাসানী নভোথিয়েটার; আসাম; পশ্চিমবঙ্গ; লংমার্চ; ফারাক্কা; শ্রীমাই খাল; শ্রীমতি খাল; Voice of Patiya
ফুলের মালায় বরণ করা হলো বিশ্বকাপজয়ী যুবাদের

ভয়েস অব পটিয়া
-ন্যাশনাল ডেস্কঃ 
বিশ্বকাপ নিয়ে দেশে ফিরলো যুবারা। দীর্ঘ প্রতীক্ষার প্রহর শেষে বাংলার বিশ্বচ্যাম্পিয়ানরা দেশে ফিরেছে। বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৫টার দিকে অনূর্ধ্ব -১৯ বিশ্বকাপজয়ী দলটিকে বহনকারী এমিরেটস এয়ারলাইন্সের বিমানটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। 
বিমানবন্দরে আকবরদের ফুলের মালা দিয়ে বরণ করার পর বিসিবিতে দেয়া হয় সংবর্ধনা। বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট দলকে বহনকারী বিমানকে টার্মিনালে দেয়া হয়েছে ওয়াটার স্যালুট।

বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের বরণ করতে সেজেছে ক্রিকেট বোর্ড। বিমানবন্দর থেকে ক্রিকেটাররা রওনা দেয় মিরপুরে বিসিবি কার্যালয়ে। সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় বিসিবিতে পৌঁছেছে আকবর আলীদের বহনকারীদের বাসটি। এখানে ক্রিকেটারদের লালগালিচা সংবর্ধনা দেয়া হয়। মিরপুর স্টেডিয়ামের মূল মাঠে ক্রিকেটারদের অভ্যর্থনা জানানোর জন্য মঞ্চ তৈরি করা হয়েছে। সেখানে কেক কাটা হবে। বিশ্বকাপ জয়ের আনন্দে আতশবাজি ফুটানো হবে। এই উপলক্ষ্যে স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে হাজির হয়েছেন হাজার হাজার দর্শক। মিরপুরে কেক কাটার পর সংবাদ সম্মেলনে কথা বলবেন শিরোপাজয়ী অধিনায়ক আকবর আলী। সংবাদ সম্মেলন শেষে অধিকাংশ ক্রিকেটার রাতে জাতীয় একাডেমিতেই অবস্থান করবেন। বৃহস্পতিবার সকালে নিজ নিজ গ্রামে ফিরে যাবেন তারা।

বিশ্বকাপজয়ী বীরদের এক নজর দেখার জন্য ঢাকা শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বাইরে ভিড় জমান হাজারো ক্রিকেটপ্রেমীরা। শুধু বিমানবন্দরেই নয়, মিরপুরে স্টেডিয়ামের বাইরেও জড়ো হয়েছেন। বিমানবন্দর থেকে মিরপুর পুরো সড়কজুড়েই রাস্তার পাশে দেখা যায় উৎসুক জনতার ভীড়। দেশকে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ এনে দেয়ায় ক্রিকেটারদের অভিনন্দন জানাতেই বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ এভাবে জড়ো হয়েছেন। এসময় ক্রিকেটপ্রেমীদের ‘বাংলাদেশ, বাংলাদেশ’ বলে স্লোগান দিতে দেখা যায়।

উল্লেখ্য, গত রবিবার দক্ষিণ আফ্রিকার পোচেফস্ট্রুমে আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের ফাইনালে চারবারের বিশ্বকাপজয়ী ভারতকে ৩ উইকেটে হারিয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ শিরোপা জয়লাভ করে বাংলাদেশ।

পটিয়ার কিশোর গ্যাং লিডার ছিনতাইকারী ‘কিং সরশ’ জেলে; ভয়েস অব পটিয়া; পটিয়া; চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা; চট্টগ্রাম; চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক; ইন্দ্রপুল লবণ শিল্প, পটিয়া লবণ শিল্প, পটিয়া বাইপাস, চাঁনখালী খাল, কক্সবাজার; শ্রীমাই খাল; শ্রীমতি খাল; Voice of Patiya
ছবিঃ কিশোর গ্যাং লিডার ছিনতাইকারী সরওয়ার ওরফে ‘কিং সরশ’ 

ভয়েস অব পটিয়া
-নিউজ ডেস্কঃ
পটিয়ায় ছিনতাইকারী চক্রের মূল হোতা ‘কিশোর গ্যাং’ লিডার সরওয়ার ওরফে কিং সরশকে (২২) জেলে পাঠিয়েছে আদালত। বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) পটিয়া যুগ্ম জেলা জজ আদালতের জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট বিশ্বেশর সিং তাকে জেলে পাঠানোর আদেশ দেন। 

সরওয়ার ওরফে কিং সরশ পটিয়া উপজেলার দক্ষিণভূর্ষি ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের মৌলভী রফিক আহমদের বাড়ির ফজল করিমের ছেলে।

মঙ্গলবার (৪ ফেব্রুয়ারী ) সন্ধ্যায় উপজেলার খানমোহনা এলাকা থেকে মোবাইল ছিনতাই এর ঘটনায় দায়ের করা মামলায় অভিযান চালিয়ে পুলিশ কিশোর গ্যাং লিডার কিং সরশকে গ্রেফতার করে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে পটিয়া থানার ওসি (অফিসার ইনচার্জ) বোরহান উদ্দিন জানান, ‘গ্রেপ্তারের পর ছিনতাইকারী কিশোর গ্যাং লিডার সরওয়ার ওরফে কিং সরশকে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে ছিনতাই হওয়া মোবাইলটি উদ্ধার করা হয়। তাকে আসামি করে মামলা দায়েরের পর আদালতে প্রেরণ করলে আদালত জেলে পাঠানোর নির্দেশ দেন।’
পটিয়া উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র কৌশলে ছিনতাই করে আসছিলো। এসব ঘটনায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে বেশ কয়েকজন ছিনতাইকারীকে গ্রেফতার করে। জিজ্ঞাসাবাদে ছিনতাইকারী চক্রের অপরাধের চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।’

দেখুন >> পটিয়ায় কিশোর গ্যাং লিডার গ্রেফতার  
                 পটিয়া পৌরসভার ছিনতাইকারী কিশোর গ্যাং গ্রুপ

প্রত্যক্ষদর্শী ও মামলা সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার (০১ ফেব্রুয়ারী) উপজেলার দক্ষিণ ভূর্ষি ইউনিয়নের শেখ রাসেল স্মৃতি পাঠাগার এলাকায় জায়গা পরিদর্শন করতে যান পটিয়া সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসের সার্ভেয়ার রবিন দাশ। কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে দক্ষিণ ভূর্ষি ইউনিয়নের কেচিয়াপাড়া বিনি ডাক্তারের বাড়ির সামনের রাস্তায় কিশোর গ্যাংয়ের দুই সদস্য সার্ভেয়ার রবিনের পথরোধ করে। তারা সার্ভেয়ার রবিনকে ডিশের তার দিয়ে বেধড়ক পেটাতে থাকে। এক পর্যায়ে তারা রবিনের সাথে থাকা নগদ টাকা ও মোবাইল ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়। এই ঘটনায় সার্ভেয়ার রবিন দাশ বাদী হয়ে পটিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার (০৪ ফেব্রুয়ারী) সন্ধ্যায় খানমোহনা এলাকায় অভিযান চালিয়ে উক্ত ছিনতাইকারী চক্রের সদস্য কিশোর গ্যাং লিডার সরওয়ার ওরফে কিং সরশকে পুলিশ আটক করে। জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে কিং সরশের শয়নকক্ষ থেকে ছিনতাই হওয়া মোবাইলটি উদ্ধার করে পুলিশ।

পটিয়া সম্পর্কে জানতে ও জানাতে আমাদের ফেসবুক পেজের সাথে থাকুন।