"ফিচারড" ক্যাটাগরীর সকল আর্টিকেল
ফিচারড লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ঢাকা-কক্সবাজার ট্রেন, থামবে না পটিয়া!; ঢাকা; কক্সবাজার; রেল; কক্সবাজার রেল; পটিয়া; চট্টগ্রাম; Coxsbazar rail, Patiya; Chittagong; Chattogram
ঢাকা-কক্সবাজার ট্রেন, থামবে না পটিয়া!

ভয়েস অব পটিয়া-নিউজ ডেস্কঃ তৎকালীন আরাকানের রাজধানী পটিয়া, ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের সূতিকাগার পটিয়া, বঙ্গবন্ধু ঘোষিত জেলা সাবেক মহকুমা পটিয়া, হালের দক্ষিণ চট্টগ্রামের রাজধানী পটিয়া - যুগ যুগ ধরে বঞ্চনার শিকার ব্রিটিশ আমলে রেল নেটওয়ার্কে সংযুক্ত জংশন পটিয়া, একবিংশ শতাব্দির উন্নয়নের মহীসোপানে এসে বারবার মুর্ছা যাওয়া পটিয়া এবারও অবহেলার শিকার।

পর্যটন নগরী কক্সবাজারকে সারাদেশের সাথে রেল নেটওয়ার্কে সংযুক্ত করার লক্ষ্যে সম্প্রতি চট্টগ্রাম-দোহাজারী-কক্সবাজার রেললাইনের উদ্বোধন। 

আগামী ০১ ডিসেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে এর বাণিজ্যিক যাত্রা। শুরুতে ঢাকা ও চট্টগ্রাম থেকে একটি করে দুটি ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। তবে দক্ষিণ চট্টগ্রামের প্রায় সবকয়টি রেল স্টেশনে স্টপেজ থাকলেও এবারও বঞ্চনার শিকার পটিয়া। 

ঢাকা ও চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার রেলপথের ভাড়া তালিকা ও সময়সূচি চূড়ান্ত করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। 
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ রেলওয়ে (পূর্বাঞ্চল) মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ নাজমুল ইসলাম। তিনি বলেন, কক্সবাজারের রেলপথের ভাড়া চূড়ান্ত করা হয়েছে। দু-একদিনের মধ্যেই প্রকাশ করা হবে। 

ঢাকা-কক্সবাজার ট্রেন, থামবে না পটিয়া!; Dhaka Coxsbazar rail fare
ঢাকা-কক্সবাজার রেল রুটে চূড়ান্ত ভাড়ার তালিকা

তবে রেলের একটি সূত্র থেকে প্রাপ্ত চূড়ান্ত ভাড়ার তালিকা অনুযায়ী, ঢাকা থেকে শোভন চেয়ারের টিকিট ৫০০ টাকা, এসি চেয়ার (স্নিগ্ধা) ৯৬১ টাকা, প্রথম শ্রেণীর চেয়ার ৭৭১ টাকা, প্রথম শ্রেণীর বার্থ/সিট ১১৫০ টাকা এবং এসি বার্থের টিকিট ১ হাজার ৭২৫ টাকা। 
আর চট্টগ্রাম-কক্সবাজার পর্যন্ত আন্তঃনগর ট্রেনে শোভন চেয়ারের টিকিট ২০৫ টাকা, প্রথম শ্রেণীর চেয়ার/সিট ৩১১ টাকা, প্রথম শ্রেণীর বার্থ ও এসি সিট ৪৬৬ টাকা, এসি চেয়ার (স্নিগ্ধা) ৩৮৬ টাকা এবং এসি বার্থ টিকিট ৬৯৬ টাকা। 

তবে ওই ভাড়ার চার্টে কম গুরুত্বপূর্ণ বেশকয়েকটি স্টেশনের নাম স্টপেজ হিসেবে উল্লেখ করলেও দক্ষিণ চট্টগ্রামের গুরুত্বপূর্ণ পটিয়া রেল স্টেশন জংশনে কোন স্টপেজ রাখা হয় নি। এমনকি মেইল এক্সপ্রেস/কমিউটার ট্রেনের স্টপেজ থেকেও বঞ্চিত করা হয়েছে। 
পটিয়াবাসীকে বারবার এভাবে বঞ্চনার বিষয়টি ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার ঝড় তুলেছে। অবিলম্বে ঢাকা থেকে কক্সবাজারগামী সকল আন্তঃনগর ট্রেনের পটিয়ায় স্টপেজ প্রদানের দাবি উঠেছে।
ইসলাম প্রচার করায় বান্দরবান পাহাড়ে জেএসএস সন্ত্রাসীদের হাতে খুন নও মুসলিম ইমাম ওমর ফারুক; বান্দরবান; রোয়াংছড়ি; তুলাছড়ি; পাহাড়; পার্বত্য চট্টগ্রাম; সন্ত্রাসী; পাহাড়ী সন্ত্রাসী; জেএসএস সন্ত্রাসী; জেএসএস; শান্তিবাহিনী; জনসংহতি সমিতি; সন্ত্রাসী সংগঠন, জঙ্গি; ঢাকা; সারাদেশ; ইসলামিক; চট্টগ্রাম; ইসলাম; দাঈ; ইসলামী দাঈ; ইসলাম প্রচারক; Bandarban, Hill tracts; Chittagong; Chattogram; Dhaka; Islamic Preacher; Islam; Bangladesh
ইসলাম প্রচার করায় বান্দরবান পাহাড়ে জেএসএস সন্ত্রাসীদের হাতে খুন নও মুসলিম ইমাম ওমর ফারুক

ভয়েস অব পটিয়া-পার্বত্য চট্টগ্রাম ডেস্কঃ ইসলাম প্রচার করায় বান্দরবানের রোয়াংছড়িতে নওমুসলিম এক ইমামকে গুলি করে নির্মমভাবে হত্যা করেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির সন্ত্রাসীরা। 

শুক্রবার এশার নামায শেষ করে মসজিদ থেকে বের হলে তাকে গুলি করে হত্যা করে জেএসএস সন্ত্রাসীরা।

হত্যার শিকার নওমুসলিম ইমাম ওমর ফারুক ত্রিপুরা (৫৪) ইতিপূর্বে খ্রিষ্টান ধর্ম ত্যাগ করে মুসলমান হয়েছিলেন। মুসলিম হওয়ার পর তিনি পাহাড়ে অমুসলিমদের মাঝে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছে দিতেন। তাঁর এ দাওয়াতী কাজের মাধ্যমে অনেক পরিবার স্ব-ইচ্ছায় ইসলাম গ্রহণ করেছেন। 

ওমর ফারুক ২০১৪ সালে খ্রিষ্টান ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম গ্রহণ করেন। বান্দরবানের রোয়াংছড়ির দুর্গম পার্বত্য এলাকা তুলাছড়িতে নওমুসলিম ওমর ফারুক নিজের জমিতে একটি মসজিদ প্রতিষ্ঠা করে ইসলাম চর্চা করতে শুরু করেন। এ কারণে পাহাড়ের উপজাতি সন্ত্রাসীরা একের পর এক তাঁকে হত্যার হুমকি দিতে থাকে। কিন্তু ওমর ফারুক হত্যার হুমকি উপেক্ষা করে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ইসলামের দাওয়াতি কার্যক্রম অব্যহত রাখেন। তাঁর এই প্রচেষ্টায় শুধু নিজের পরিবার নয়, রোয়াংছড়ি এলাকায় তাঁর দাওয়াতে প্রায় ৩২টি উপজাতীয় পরিবার ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। এ কারণে উপজাতীয় সন্ত্রাসীরা তাঁকে থামাতে গত ১৮ জুন শুক্রবার দিবাগত রাতে মসজিদ থেকে এশার নামাজ পড়ে ফেরার পথে নির্মমভাবে গুলি করে হত্যা করে বলে জানায় এলাকাবাসীরা। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

এ ঘটনায় সোশ্যাল মিডিয়ায় বিরাজ করছে শোকের ছায়া । তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা জানাচ্ছেন নেটিজেনরা। হত্যাকারী উপজাতি সন্ত্রাসীদের অনতিবিলম্বে শাস্তি দাবি করেছেন তারা। পাশাপাশি সরকার ও পাহাড়ে আইন-শৃংখলা ও দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষায় নিয়োজিত সদস্যদের প্রতি অনতিবিলম্বে এসব শান্তিবিনষ্টকারী দেশের সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি উপজাতি সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করার জোর দাবি জানিয়েছেন নেটিজেনরা।

ফ্রান্সে মহানবী (সাঃ)’র অবমাননার প্রতিবাদে পটিয়ায় বিক্ষোভ সমাবেশ
ফ্রান্সে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)-এঁর অবমাননার প্রতিবাদে পটিয়ায় বিক্ষোভ

ভয়েস অব পটিয়া-নিউজ ডেস্কঃ ফ্রান্সে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)-এঁর ব্যাঙ্গাত্মক কার্টুন প্রদর্শনের প্রতিবাদে সারাদেশের ন্যায় দক্ষিণ চট্টগ্রামের প্রাণকেন্দ্র পটিয়ায় তৌহিদি জনতার উদ্যোগে এক বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

আজ শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বাদে জুমা পটিয়া রেল স্টেশন চত্বর হতে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়ে পটিয়ার প্রধান প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে থানার মোড়ে এক প্রতিবাদ সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। উক্ত বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ হতে ফ্রান্সের রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় মহানবী (সাঃ) এঁর ব্যাঙ্গচিত্র অঙ্কনকারী ম্যাগাজিন শার্লি এব্দো ও এর সমর্থনকারী ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোর বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়। 

ফ্রান্সের ইসলাম বিদ্বেষ ও মহানবী (সাঃ) এর অবমাননায় বিশ্বের দুইশত কোটি মুসলমান ব্যথিত হয়েছে। ফ্রান্সের এহেন ইসলাম ও মুসলিম বিদ্বেষী কর্মকান্ড বন্ধ করতে হবে। ইসলাম ও মহানবী (সাঃ) এঁর অবমাননা কোনভাবেই বিশ্ব মুসলিম বরদাস্ত করবে না। বিক্ষুব্ধ মুসলমানদের হৃদয়ের ক্ষত মুছতে হলে ফ্রান্সকে অবিলম্বে রাষ্ট্রীয়ভাবে ক্ষমা চাইতে হবে বলে বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা বলেন।

মহানবী (সাঃ) কে অবমাননা, প্রতিবাদে বিশ্বজুড়ে ফ্রান্সের পণ্য বয়কটের ডাক; #boycottfrance #boycottfranceproducts #hashtag
#boycottfrance #boycottfranceproducts #hashtag


ভয়েস অব পটিয়া-নিউজ ডেস্কঃ
মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)’কে অবমাননার প্রতিবাদে বিশ্বজুড়ে ফ্রান্সের পণ্য বয়কটের ডাক দিয়েছে মুসলিমরা।

ফ্রান্সের পণ্য বয়কটের ডাক দিয়ে হ্যাশ ট্যাগ (#boycottfranceproducts) ব্যবহার করছেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারকারীরা। তাদের এ আন্দোলনে ব্যাপক সাড়া মিলেছে বিশ্বব্যাপী। ইতোমধ্যে বিভিন্ন মুসলিম প্রধান দেশগুলোর মার্কেট থেকে ফ্রান্সের পণ্য সরিয়ে নেয়া হয়েছে। কুয়েতের বিভিন্ন মার্কেট থেকে ফ্রান্সের পণ্য সরিয়ে নেয়ার নানা ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকেই #boycottfranceproducts হ্যাশট্যাগের সঙ্গে জুড়ে দিচ্ছেন এসব ছবি ও ভিডিও। 

গত ১৬ অক্টোবর ফ্রান্সের প্যারিসে এক স্কুল শিক্ষককে গলা কেটে হত্যা করা হয়। আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্স ফ্রান্স পুলিশের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, হামলাকারীর বয়স ১৮ বছর। তিনি চেচেন জাতিগোষ্ঠীর এবং জন্ম রাশিয়ার মস্কোতে। নিহত ওই শিক্ষক রাষ্ট্রবিজ্ঞান পড়াতেন। ‘মতপ্রকাশের স্বাধীনতা’ ক্লাসে তিনি শিক্ষার্থীদের মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)-কে ব্যাঙ্গ করে কার্টুন দেখিয়ে ছিলেন। এই অবমাননার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা না নেয়ায় তাকে ব্যাঙ্গকারীকে হত্যা করা হয় বলে পুলিশ জানায়। 

এ ঘটনার জের ধরে ফ্রান্সের পুলিশ দেশটির অন্তত অর্ধশতাধিক মসজিদ ও মুসলিম-অধ্যুষিত এলাকায় ব্যাপক-ধরপাকড় চালায়। পাঁচ বছর আগে ফ্রান্সের ব্যাঙ্গাত্মক ম্যাগাজিন ‘শার্লি এবদো’ হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)’কে নিয়ে ব্যাঙ্গাত্মক অবমাননাকর কার্টুন ছাপানোর বিরুদ্ধে ওই দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কোন ব্যবস্থা না নেয়ায় তাতে হামলার ঘটনা ঘটে। এর পুনরাবৃত্তি করে এবারও কার্টুন ছাপিয়েছে ম্যাগাজিনটি। 

ফ্রান্সের দুটো সরকারি বিল্ডিংয়ে মুহাম্মদ (সাঃ)’র ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শন করা হচ্ছে। এ ঘটনায় সমালোচনার ঝড় উঠলেও ব্যাঙ্গকারীদের পক্ষে শক্ত অবস্থান নিয়ে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রো বলেছেন, ‘তারা ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শন বন্ধ করবে না। এটা তাদের ‘ফ্রিডম অব স্পিচ’ (বাক-স্বাধীনতা)। হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)’র বিতর্কিত কার্টুন ছাপানো নিয়ে নিন্দা জানাবেন না বলে ঘোষণা দিয়েছেন। সেই সাথে প্রতিবাদকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার ঘোষণা দেন তিনি। 

ফ্রান্স সরকার কর্তৃক মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)’র কার্টুন বন্ধে ব্যবস্থা না নেয়া এবং শার্লি এবদোর পক্ষে অবস্থান নেয়ার পর মুসলিম বিশ্বে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। ক্ষোভে ফেটে পড়ছে মুসলিম দেশগুলো। এরই প্রতিবাদে ফ্রান্সের সব ধরনের পণ্য বয়কটের ডাক দিয়েছে কুয়েত।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারী বিশেষ করে ফেসবুক-টুইটারে ফ্রান্সের অবমাননাকর সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

ফ্রান্স রাষ্ট্রীয়ভাবে মুহাম্মদ (সাঃ) এবং ইসলামের বিরুদ্ধে এমন কুরুচিপূর্ণ প্রচারণা-বিদ্বেষ ছড়াচ্ছে। ইতিমধ্যে ফ্রান্স সরকার প্রায় অর্ধশতাধিক মসজিদ ও মাদ্রাসা বন্ধ করে দিয়েছে। আরও অসংখ্য মসজিদ-মাদ্রাসা বন্ধের তালিকায় আছে।

এদিকে আন্দোলনকারীরা ফেসবুক-টুইটার পোস্টে ফ্রান্সের বিভিন্ন কোম্পানির একটি তালিকা প্রকাশ করছেন। যেখানে ফ্রান্সের মালিকানাধীন কোম্পানীগুলোর লোগো ও নাম ব্যবহার করা হয়েছে। এরই মধ্যে ফ্রান্সের সরকারি বিভিন্ন সংস্থার দেয়ালে শার্লি এবদোর সেই বিতর্কিত ১২টি কার্টুন প্রদর্শন করা হচ্ছে। 

#boycottfrance #boycottfranceproducts #hashtag
#boycottfranceproducts তালিকা

দেশটির সরকার এবং কয়েকটি গণমাধ্যমের এমন সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কো-অপারেশন (ওআইসি)। ফ্রান্সের কয়েকটি ভবনের সামনে এবং সরকারের সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে ইসলামকে সম্পৃক্ত করা এবং মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)’কে অপমানজনক প্রচারণার সমালোচনা করেছে সংস্থাটি। 

ওআইসির বিবৃতিতে বলা হয়, ‘আমরা আমাদের প্রিয়নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)-এঁর প্রতি অবমাননা, মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতিতে ক্রমাগত আঘাতের তীব্র নিন্দা জানাই। রাজনৈতিক স্বার্থে ফ্রান্সের নাগরিক ও ইসলামকে মুখোমুখি দাঁড় করানোর ঘৃণ্য চেষ্টা করছেন কতিপয় ফরাসী সরকারি কর্মকর্তারা। বাক-স্বাধীনতার নামে কারও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানা কখনোই গ্রহণযোগ্য নয়।’

সংস্থাটি ফ্রান্সকে তার বৈষম্যমূলক নীতিগুলো পর্যালোচনা করার আহ্বান জানিয়েছে। 


এদিকে ১৯৪৭ সালের ১০ ডিসেম্বর সবার জন্য মানবাধিকার বিষয়ক একটি ঘোষণাপত্র জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশন গৃহীত হয়। এটি গোটা বিশ্বের মানুষের মানবাধিকারের দলিল হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ফ্রান্সের ইসলামবিদ্বেষী এ অবস্থান জাতিসংঘের সেই ঘোষণাপত্রটি সরাসরি লঙ্ঘন করেছে। 

ঘোষণাপত্রের প্রথম অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ‘পৃথিবীর সব মানুষ সমান অধিকার নিয়ে জন্মগ্রহণ করেন। তাদের অধিকার ও মর্যাদা সমান। প্রত্যেকেই ভ্রাতৃত্বপূর্ণ একটি সম্পর্ক বজায় রাখবে, একে অন্যের প্রতি শ্রদ্ধা ও সম্মান প্রদর্শন করবে।’ 

কিন্তু ফ্রান্সের ইসলামবিদ্বেষী আচরণ, তার কার্টুন প্রদর্শন সরাসরি জাতিসংঘের এ ঘোষণা লঙ্ঘন করে। এতে কার্যত জাতিসংঘকে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করেছে ফ্রান্স। 

ইসলাম ধর্ম অনুযায়ী, হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) আল্লাহর সবচেয়ে প্রিয় রাসূল এবং সর্বশেষ নবী। তাঁর কোনও ধরনের অবয়ব আঁকা ধর্ম অবমাননা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তাই এবারও হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)-এঁর কার্টুন নিয়ে মুসলিম বিশ্বে চরম সমালোচনা চলছে। সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার কথা বলে বিতর্কিত কার্টুনটির পক্ষেই অবস্থানের কথা জানালেন লেবানেন সফররত ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রো। এদিকে ফান্স সরকারের এরকম ঘৃণ্য কাজের প্রতিবাদ জানিয়েছেন তুরষ্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগান। তিনি ফ্রান্সের প্রেসিডেন্টকে মানসিক চিকিৎসা নেয়ার কথা বলেছেন।


অবিক্রিত লাল চিনি, বেতন না পেয়ে শ্রমিকদের মানবেতর জীবন; রাজশাহী, চট্টগ্রাম বন্দর, চট্টগ্রাম, ভারত, বাংলাদেশ, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, চিনি, আখ, রাষ্ট্রায়াত্ত মিল, সুগার মিল, brown sugar, sugar mill, white sugar

ভয়েস অব পটিয়া-ন্যাশনাল ডেস্কঃ রাষ্ট্রায়াত্ত চিনিকলগুলোতে উৎপাদিত লাল চিনি বিক্রি না হওয়ায় গত ৪ মাস ধরে বেতন পাচ্ছেন না চিনিকল শ্রমিকরা। যার ফলে বেতনহীন মানবেতর জীবন যাপন করতে হচ্ছে রাজশাহী-ঠাকুরগাঁওয়ের লাল চিনিকলে উৎপাদনকারী শ্রমিকদের।

চিনিকল সূত্রে জানা গেছে, গত মৌসুমে ৫৪ হাজার ১৪৮ মেট্রিক টন আখ মাড়াই করে প্রায় ৩ হাজার ৩৫৮ মেট্রিক টন চিনি উৎপাদন করা হয়েছে। এর মধ্যে এ পর্যন্ত প্রায় ১৮ কোটি ২৭ লাখ টাকা মূল্যের ৩ হাজার ৪৫ মেট্রিক টন চিনি অবিক্রিত রয়েছে।

বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশনের নির্ধারিত মূল্য অনুযায়ী প্রতি টন চিনির মিল গেটে মূল্য ৬০ হাজার টাকা। কর্পোরেশনের নির্ধারিত বিক্রয়মূল্যের চেয়ে বেসরকারি চিনি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের চিনির বিক্রয়মূল্য কম হওয়ায় এই অবস্থার সৃষ্টি হচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
চিনি বিক্রি না হওয়ার ফলে ৪ মাস ধরে বেতন বন্ধ শ্রমিকদের। যার ফলে পরিবার-পরিজন নিয়ে মানবেতর দিন কাটাচ্ছে তারা।

বাংলাদেশ চিনি শিল্প কর্পোরেশনের ডিলাররা জানায়, ‘বেসরকারি চিনি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর চিনি কেজি প্রতি মূল্য ৫৩ থেকে ৫৫ টাকা নির্ধারণ করেছে। অন্যদিকে রাষ্ট্রীয়াত্ত চিনিকলের উৎপাদিত চিনির মিল গেট মূল্য কেজি প্রতি ৬০ টাকা হওয়ায় আমরা অল্প পরিমাণে চিনি বিক্রির জন্য সরবরাহ করছি। বেসরকারি শোধনাগারের সাদা চিনি প্রতি গ্রাহকদের পছন্দ থাকায় বাজারে রাষ্ট্রীয় কলের উৎপাদিত লাল চিনির চাহিদা কম বলে মনে করছেন ডিলাররা। যার ফলে বেশিরভাগ চিনিই চিনিকলে অবিক্রিত অবস্থায় থেকে যাচ্ছে।

ঠাকুরগাঁও আখ চাষি সমিতির সভাপতি ইউনুস আলী বলেন, ‘প্রতি বছর আখ সরবরাহ করার পর আখের মূল্য দিতে দীর্ঘসূত্রিতার কারণে কৃষকরা আখ চাষে আগ্রহ হারাচ্ছেন। যথাসময়ে আখের মূল্য পরিশোধ এবং বাজারে লাল চিনি বিক্রির উদ্যোগ নেওয়া হলে নতুন ভোক্তা তৈরি হবে, এতে কৃষক এবং মিলগুলোও লাভবান হবে।’

ঠাকুরগাঁও সুগার মিলস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘আমাদের চিনি বিক্রি করে শ্রমিকদের বেতন দিতে হয়। চিনি বিক্রির গতি খুব ধীর হওয়ায় তাদেরকে সময়মতো বেতন দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। যার ফলে মানবেতন দিন কাটাতে হচ্ছে চিনিকল শ্রমিকদের। রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন চিনিকলগুলোকে বাঁচাতে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর চিনি তৈরির উপকরণের ওপর আমদানি শুল্ক বাড়াতে হবে। যাতে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন চিনিকলগুলোতে উৎপাদিত চিনির বাজার মূল্যের চেয়ে কম দামে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো চিনি বিক্রি করতে না পারে। এর মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় চিনিকল প্রতিষ্ঠানগুলোসহ এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হাজার-হাজার পরিবারের জীবন-জীবিকা রক্ষা পাবে’ বলেও মনে করেন তিনি।

সাদা চিনি খেয়ে ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, লিভার বিকলের ঝুঁকি বাড়াচ্ছেন না তো?

আসুন জেনে নিয়ে লাল চিনি ও সাদা চিনির মধ্যে পার্থক্য

•  লাল চিনি হলো সরাসরি আখ থেকে তৈরি অপরিশোধিত চিনি। লাল চিনিতে থাকে আখের সব উপাদান। যেমনঃ- শর্করা, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, লৌহ, ম্যাঙ্গানিজ, উপকারি অ্যামাইনো অ্যাসিড, জিঙ্ক, থায়ামিন, রাইবোফ্লেবিন, ফলিক এসিড, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ইত্যাদি। 

লাল চিনির উপকারী কয়েকটি দিকঃ-
১) প্রচুর মাত্রায় ক্যালসিয়াম থাকার কারণে লাল চিনি খেলে হাড় শক্তপোক্ত হয়। সেই সঙ্গে দাঁতের স্বাস্থ্যেরও উন্নতি ঘটে। ক্যাভিটি এবং ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশন হওয়ার আশঙ্কাও দূর হয়। 

২) আখের অ্যাটিঅক্সিডেন্ট ক্যান্সার প্রতিরোধ করে এবং শরীরের ভিতরে উপস্থিত ক্ষতিকর টক্সিক উপাদান বের করে দেয়। 

৩) লিভার সুস্থ রাখে। 

৪) জন্ডিসের প্রকোপ কমায়। 

৫) কোষ্ঠকাঠিন্যে দূর করে। 

৬) আখে থাকা অ্যালকেলাইন প্রপাটিজ গ্যাস-অম্বলের প্রকোপ কমাতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে। 
৭) শরীরের মিনারেল তথা খনিজ পদার্থের চাহিদা পূরণ করে মস্তিষ্কে রক্ত প্রবাহ স্বাভাবিক রাখে যা স্ট্রোক প্রতিরোধ করে। 

৮) শরীরের ভিটামিনের চাহিদা পূরণ করে। কিন্তু লাল চিনি রিফাইন বা পরিশোধন করতে গিয়ে ভিটামিন, মিনারেল, প্রোটিন, এনজাইম এবং অন্যান্য উপকারি পুষ্টি উপাদান দূর হয়ে যায়। চিনি পরিশোধন করতে ব্যবহার করা হয় সালফার এবং হাড়ের গুঁড়ো। 

সাদা চিনি বা রিফাইন করা চিনি যে শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর সে সম্পর্কে ড. উইলিয়াম কোডা মার্টিন এক গবেষণাপত্র বের করেছিলেন। 
ড. উইলিয়াম কোডা মার্টিন গবেষণাপত্রে বলেনঃ- ‘চিনি রিফাইন করে সাদা করার জন্য চিনির সাথে যুক্ত প্রাকৃতিক ভিটামিন ও মিনারেল সরিয়ে শুধু কার্বোহাইড্রেট বা শর্করা রাখা হয়। কিন্তু শুধু কার্বোহাইড্রেট শরীর গ্রহণ করতে পারে না। মিনারেল ও ভিটামিনবিহীন কার্বোহাইড্রেট দেহের মধ্যে টক্সিক মেটাবোলাইট সৃষ্টি করে। এতে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গপ্রতঙ্গের স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা নষ্ট হতে থাকে। ফলে কোষ অক্সিজেন পায় না এবং অনেক কোষ মারা যায়।’

ড. উইলিয়াম কোডা মার্টিন গবেষণা লব্ধ ফলাফল প্রমাণ করে- রিফাইন করা চিনি খেলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়। হার্ট ও কিডনী ধীরে ধীরে কার্যক্ষমতা হারিয়ে ফেলে এবং ব্রেনের উপর মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব সৃষ্টি করে। 

সাদা চিনির ক্ষতিকারক দিক 


১) যেহেতু পরিশোধনের সময় চিনির মিনারেল বা প্রাকৃতিক খনিজ উপাদান দূর হয়ে যায়। তাই সহজেই বলা যায়, এতে করে মস্তিষ্কে রক্ত প্রবাহ কমে যায়। নিউরন কোষগুলো ধীরে ধীরে মারা যায়। যা স্ট্রোক ঘটায়। 

২) ভিটামিন সরিয়ে ফেলায় শরীর পুষ্টি উপাদান পায় না। 

৩) সাদা চিনিতে অতিরিক্ত পরিমাণে ফ্রুক্টোজ থাকে। ফ্রুক্টোজ হজম করাতে সাহায্য করে লিভার বা কলিজা। কিন্তু অতিরিক্ত ফ্রুক্টোজ লিভার হজম করাতে না পারায় লিভারে তা ফ্যাট আকারে জমা হয়। এতে করে লিভার ড্যামেজ বা লিভার নষ্ট হয়ে যায়।

৪) চিনি পরিশোধনে ব্যবহার হয় সালফার আর হাড়ের গুড়ো যা কিডনি বিকলাঙ্ক করে দেয়। 

৫) সালফার ইনসুলিন নিঃসরণে প্রধান বাঁধা হয়ে দাঁড়ায়। ফলে শরীরের গ্লুকোজের পরিমাণ বেড়ে যায় এবং ডায়াবেটিস হয়। 

এত এত অপকারী বা বিধ্বংসী দিক থাকার কারণেই ড. উইলিয়াম কোডা মার্টিন সাদা চিনিকে বলেছেন বিষ। 

আমাদের দেশের মানুষ টাকা দিয়ে ধবধবে সাদা বিষ খাবে তবুও লাল চিনি কিনবে না! নিজে তো মরছেন, দেশীয় চিনিকলের শ্রমিকদেরও বিনাবেতনে মারছেন!

আসুন সবাই লাল চিনি কিনি, নিজেদের শরীর-স্বাস্থ্য ভালো রাখার পাশাপাশি দেশ ও দশের কথা চিন্তা করি।
করোনা; করোনা ভাইরাস; কোভিড; কোভিড১৯; স্যানিটাইজার; বিআইটিআইডি; আইইডিসিআর; স্বাস্থ্য অধিদপ্তর; কেরু এন্ড কোম্পানী; Carew & Company; Corona; Corona Virus; Covid; Covid19; Sanitizer; BITID; IEDCR; Health Ministry
রাষ্ট্রয়াত্ত কোম্পানি কেরু এন্ড কোম্পানীর স্যানিটাইজার ‘কেরুজ হ্যান্ড স্যানিটাইজার’

ভয়েস অব পটিয়া-ন্যাশনাল ডেস্কঃ করোনা প্রাদুর্ভাবের শুরুতে জাতীয় চাহিদার প্রেক্ষিতে তড়িৎ গতিতে স্যানিটাইজার উৎপাদনের সিদ্ধান্ত নেয়ার পরপরই বদলি করা হয়েছে দেশের একমাত্র রাষ্ট্রয়াত্ত ডিস্ট্রিলারি প্রতিষ্ঠান ‘কেরু অ্যান্ড কোং (বাংলাদেশ) লিমিটেড’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) জাহিদ আলী আনছারীকে। 

২৪ মার্চ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশনের চীফ অব পার্সোনাল মোঃ রফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে তাকে ‘ইক্ষু উন্নয়ন ও গবেষণা পরিদফতরে’ সংযুক্ত করা হয়েছে। আকস্মিক এই বদলিতে বিষ্ময় প্রকাশ করেছেন প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। তাদের মতে, ‘জাতির এই ক্রান্তিলগ্নে যখনই হ্যান্ড স্যানিটাইজারের বিপুল চাহিদা-তখনই তড়িৎ গতিতে হ্যান্ড স্যানিটাইজার উৎপাদনের সিদ্ধান্ত নেন এমডি জাহিদ আলী আনছারী। তার এই তড়িৎ সিদ্ধান্তের বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সহজভাবে মেনে নিতে পারেননি। এ কারণেই অযৌক্তিকভাবে বদলি করা হয় জাহিদ আলী আনছারীকে।’ 

এই বদলির ফলে সুলভমূল্যে দেশীয় হ্যান্ড স্যানিটাইজার মানুষের হাতে পৌঁছে দেয়ার উদ্যোগ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে বলে জানা গেছে। 

উল্লেখ্য, করোনা ভাইরাসের প্রভাবে বিশ্বব্যাপী ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বাংলাদেশেও উদ্ভব হয়েছে নজিরবিহীন সঙ্কটময় পরিস্থিতির। দেশে সঙ্কট তৈরি হয়েছে হ্যান্ড স্যানিটাইজারের। ঝোপ বুঝে কয়েকটি স্যানিটাইজার উৎপাদনকারী কয়েকটি কোম্পানিও দাম বাড়িয়েছে কয়েকগুণ বেশি। এহেন পরিস্থিতিতে তড়িৎ সিদ্ধান্তে হ্যান্ড স্যানিটাইজার উৎপাদন ও বিপণন শুরু করেছে বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশনের (বিএসএফআইসি) আওতাভুক্ত প্রতিষ্ঠান কেরু অ্যান্ড কোম্পানি (বাংলাদেশ) লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) জাহিদ আলী আনছারীর তত্ত্বাবধানে দ্রুততম সময়ের মধ্যে এটির বাজারজাত শুরু হয়। এ হ্যান্ড স্যানিটাইজারের মাধ্যমে ৯৯.৯৯ শতাংশ জীবাণু নষ্ট হবে বলে জানিয়েছেন কেরুর রসায়নবিদরা। 

‘কেরুজ হ্যান্ড স্যানিটাইজার’ নামে এ পণ্য বাজারে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। গত ২৩ মার্চ থেকে ‘কেরুজ স্যানিটাইজারের’ বিপণন শুরু হয়। প্রথম দিকে প্রায় ৫০ কার্টন (প্রতি কার্টনে ১০০ বোতল) উৎপাদন করা হয়েছে। এর পরদিনই ২৪ মার্চ বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশনের চিফ অব পার্সোনাল মোঃ রফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে অবসর গমনের সুবিধার্থে কেরু এন্ড কোম্পানির এমডি জাহিদ আলী আনছারীকে সদর দফতরের ‘ইক্ষু উন্নয়ন ও গবেষণা পরিদফতরে’ সংযুক্ত করতে বলা হয়।
চট্টগ্রাম-পটিয়া রুটে যানবাহনে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের বিরুদ্ধে অভিযান; পটিয়া; চট্টগ্রাম; Patiya; Chittagong; Chattogram
চট্টগ্রাম-পটিয়া রুটে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করছেন ইউএনও পটিয়া হাবিবুল হাসান

ভয়েস অব পটিয়া-নিউজ ডেস্কঃ চট্টগ্রাম-পটিয়া রুটে যানবাহনে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের বিরুদ্ধে অভিযান চলছে। আজ বুধবার (১৭ অক্টোবর) সকাল ১০টা হতে থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাবিবুল হাসানের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে ছয়টি যাত্রীবাহী বাসকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের দায়ে ১৪ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

প্রায় প্রতিদিনই চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের পটিয়া রুটে চট্টগ্রাম শহর তথা নতুনব্রীজ হতে নির্ধারিত ভাড়া ২০ টাকা পরিবর্তে ১০০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে। এ নিয়ে সাধারণ যাত্রীদের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। দফায় দফার সংবাদ, মানববন্ধন-প্রতিবাদের পরও অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধ হয়নি। বিশেষ করে প্রতি বৃহস্পতি-শুক্র ও শনিবার পটিয়াগামী গাড়িগুলোর কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনের নির্লিপ্ততায় বাসমালিক-ড্রাইভারদের দৌরাত্ম অব্যহত রয়েছে। 
এসব অভিযোগের সূত্র ধরে বুধবার (১৭ অক্টোবর) পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাবিবুল হাসানের এক বিশেষ অভিযানে সাধারণ যাত্রীদের নজর কেড়েছে।চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের পটিয়ার বিভিন্ন স্পটে অভিযান চালিয়ে ছয়টি যাত্রীবাহী বাসকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের দায়ে ১৪ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাবিবুল হাসান বলেন, অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ পেলে তিনি যে কোন সময় অভিযান চালাবেন। সাধারণ যাত্রীদের জিম্মি করে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধ করতে হবে। প্রাথমিকভাবে অভিযুক্তদের জরিমানা করা হচ্ছে। এতে পরিস্থিতির উন্নতি না হলে পরবর্তীতে কারাদন্ডও দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি।